যে কথা অফিসে বলা মানা

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:৪০ পিএম

চাকরি জীবনে সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা জরুরি। দিনের একটা বড় সময় তাদের সঙ্গে থাকায় বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের বিকল্পও নেই। তবে সহকর্মীদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় কিছুটা সাবধানী হতে হবে। হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে এ ধরনের সাতটি বিষয় তুলে ধরা হলো-

সাবেক কর্মক্ষেত্রকে কতটা ঘৃণা করেন : আগের কর্মক্ষেত্র বা পেশায় বাজে ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারেন। বিষয়টি আপনার জন্য যতই পীড়াদায়ক হোক নতুন কর্মক্ষেত্রে কখনই তা নেতিবাচকভাবে তুলে ধরবেন না।  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা সহকর্মীরা ভাবতে পারেন কাজের ক্ষেত্রে আপনি অতটা দায়িত্বশীল নন। বরং, অন্যকে দোষারোপ করে থাকেন।

রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি : রাজনীতি নিয়ে অনাগ্রহী মানুষের সংখ্যা কম। নানাজন নানা মতাদর্শের অনুসারী। তবে অফিসে এ নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়। পরে হিতে বিপরীত হতে পারে।

নতুন চাকরি খোঁজা : পছন্দ বা চাহিদা অনুযায়ী নতুন চাকরি খুঁজছেন? সাবধান! ভুলেও এই তথ্য সহকর্মীর কাছে ফাঁস করবেন না। এক্ষেত্রে বর্তমান কর্মক্ষেত্রের প্রতি আপনার নিবেদন-আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

চিকিৎসা : আপনি শারীরিক বা মানসিক কোনো বিষয়ে নিয়মিত চিকিৎসক দেখান। বিষয়টি মানবিক হলেও অফিসে অনেক ক্ষেত্রেই উল্টো পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাই একে কাজের গতি কমে যাওয়ার কারণ বলে মনে করেন।

ব্যক্তিগত সম্পর্ক : প্রেম বা বৈবাহিক জীবনযাপনের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা না করাই ভালো। এতে অনেক সময়ই গোপনীয়তা ভঙ্গ ও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন।

সহকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ : কাজ বা ব্যক্তিগত আচরণের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কিংবা কোনো সহকর্মীর বিরুদ্ধে আপনার ক্ষোভ জমতে পারে। বিষয়টি অন্য সহকর্মীর সঙ্গে আলোচনা না করাই ভালো। নয়তো অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আপনাকে ভালো চোখে দেখবেন না।

প্রতিষ্ঠানের নীতির সমালোচনা : সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় প্রতিষ্ঠানের কোনো নীতি বা পদ্ধতির সমালোচনা করবেন না। এক্ষেত্রে মিটিং বা অন্য আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় বিষয় তুলে ধরুন যুক্তি দিয়ে। তখন বিষয়টি বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু ব্যক্তিগত আলোচনায় এ ধরনের সমালোচনা চাকরিচ্যুতি বা খারাপ ব্যবহারের সম্মুখীন করতে পারে বলে মনে করেন নিহার কে ছায়া।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত