বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চার দিনে ১৭০ স্থাপনা উচ্ছেদ ৭ একর ভূমি উদ্ধার

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:৪৪ এএম

কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। চতুর্থ দিনের (বৃহস্পতিবার) অভিযানেও ৩০টি অবৈধ স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।  চার দিনের এই অভিযানে মোট ১৭০টি স্থাপনা উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে কর্ণফুলীর উত্তরপাড়ের প্রায় সাত একর ভূমি উদ্ধার হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান মুক্ত দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আরএস জরিপ অনুযায়ী কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আদালতের নির্দেশনায় চতুর্থ দিনের অভিযানে ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। চার দিনের অভিযানে প্রায় সাত একর ভূমি উদ্ধার হয়েছে।’ যতদিন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হবে না, ততদিন জেলা প্রশাসনের এই উচ্ছেদ অভিযান চলবে বলেও জানান জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।পর্যায়ক্রমে কর্ণফুলীর উভয় পাড়ে অবৈধ সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম।

এদিকে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই জেলা প্রশাসনের দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর মাঝিরঘাটের কর্ণফুলীর পাড়ে অভিযান শুরু করেন। উচ্ছেদ অভিযানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) বুলডোজার, এক্সকাভেটর, পে-লোডার, ট্রাকসহ নানা সরঞ্জাম ব্যবহৃত হচ্ছে। অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যের পাশাপাশি শতাধিক শ্রমিক উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নিয়েছেন।

এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় আড়াই বছর আগে নদীর দুই তীরের দুই সহ¯্রাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলে হাইকোর্ট। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দসহ নানা জটিলতায় এতদিন উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। পরবর্তী সময়ে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশে গত সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে অভিযানে নামে জেলা প্রশাসন। গত তিন দিনে ১৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে কর্ণফুলীর প্রায় ৫ একর ভূমি উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত