কাশ্মীরের ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার ‘মাস্টারমাইন্ডকে’ খুঁজছে ভারত। রবিবার থেকে বিশেষ অভিযানে নেমেছে কয়েকশ সেনা। এ হামলার মূলহোতা হিসেবে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের কাশ্মীর প্রধানকেই সন্দেহ করছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন ৪৪ জন সেনা।
ঘটনার পরপর কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনের সদস্য আদিল আহমাদ দার নামে এক তরুণ গাড়িভর্তি বিস্ফোরক নিয়ে এ হামলা চালান। ২০১৮ সালে তিনি জইশ-ই-মুহাম্মদে যোগ দেন তিনি।
রয়টার্স জানায়, সেনাবাহিনী ও পুলিশের ধারণা, জইশ-ই-মুহাম্মদের কাশ্মীর অঞ্চলের প্রধান মোহাম্মদ উমাইরই এ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী।
পুলিশের এক সূত্র জানায়, উমাইরের অনুপ্রেরণাতেই স্কুল থেকে ঝরে পড়া আদিল গাড়িভর্তি বোমা নিয়ে এ হামলা চালায়।
গত সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান থেকে কাশ্মীরে প্রবেশ করেন উমাইর। কাশ্মীরের দক্ষিণাঞ্চলেই লুকিয়ে আছে তিনি এখন, এমনটা জানান পুলিশের এক কর্মকর্তা।
উমাইর জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের ভাইয়ের ছেলে। মাসুদ নিজেও পাকিস্তানে আছে বলে মনে করে ভারত।
নয়াদিল্লীর দাবি, পাকিস্তান থেকেই জইশ-ই-মুহাম্মদ কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী হামলা চালায়। যদিও ইসলামাবাদ এ হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নাকচ করে দিয়েছে।
