শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নথি গায়েব

রাজউক কর্মচারীর ১১ বছর কারাদণ্ড

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ০৩:২৩ এএম

বহুতল ভবনের নকশা ও নথি গায়েব করার ঘটনায় বিচারিক আদালতে খালাস পাওয়া রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) স্টেনো ক্লার্ক মো. শফিউল্লাহকে ১১ বছর কারাদ- দিয়েছে হাইকোর্ট। তার খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলের শুনানি নিয়ে গতকাল রবিবার এ রায় দেয় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গতকাল রায়ের দিন থেকে ১৫ দিনের

 মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের রায়ে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফখরুল ইসলাম।

২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর এ মামলায় শফিউল্লাহকে খালাস দিয়েছিল ঢাকার  বিশেষ জজ আদালত-৭। ওই রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ৭ এপ্রিল হাইকোর্টে  আপিল করে দুদক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজউকের সাবেক ইস্যু ক্লার্ক ও বর্তমানে এস্টেট সেকশনের স্টেনো ক্লার্ক শফিউল্লাহর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দায়িত্বে অবহেলার মাধ্যমে রাজউকের বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন-সংক্রান্ত ৫৭টি নথি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের রেকর্ড রুমে না পাঠিয়ে সেগুলো বিনষ্ট ও গায়েব করার অভিযোগে ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে শফিউল্লাহকে খালাস দেয় বিচারিক আদালত।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, হাইকোর্টের রায়ে শফিউল্লাহকে দ-বিধির দুটি ধারায় দুই বছর করে চার বছর ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় তাকে সাত বছরসহ মোট ১১ বছর কারাদ- দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাজা একসঙ্গে চলবে বলে তাকে সাত বছর কারাদ- ভোগ করতে হবে। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত