সমাবেশে ডিএমপি কমিশনার

মাদকে জড়িত পুলিশকে কোমরে দড়ি বেঁধে আদালতে তোলা হবে

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৯, ০৫:১১ এএম

মাদক ব্যবসার সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাবধান করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেছেন, পুলিশের কোনো সদস্য   মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্য রাখলে তাকেও কোমরে দড়ি বেঁধে আদালতে তোলা হবে। গতকাল রবিবার রাজধানীর কড়াইল বস্তির এরশাদ স্কুলের মাঠে মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাবেশে বস্তিবাসীর উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘একটা সত্য কথা বলি, কেউ মনে কিছু নেবেন না। সবার প্রচলিত ধারণা যে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া কেউ মাদক ব্যবসা করতে পারে না। এটি সবচেয়ে বড় সত্য কথা। তবে আপনারা একত্র হোন। কোনো পুলিশ সদস্য যদি মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করেন, তার কাছ থেকে বখরা আদায় করেন, তবে ওই পুলিশ সদস্যকে ধরে বেঁধে রেখে আমাকে জানান। দেখেন তার বিরুদ্ধে কী ধরনের অ্যাকশন নিই। অন্যান্য লোকের মতো মাদক ব্যবসায় জড়িত পুলিশকেও রশি দিয়ে বেঁধে আদালতে তুলব।’

গত ১৫ দিন আগে গুলিস্তানে ঢাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হযরত আলী বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন জানিয়ে আছাদুজ্জামান বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে ৩৩টি মাদক মামলা ছিল। মাদকের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। গত সপ্তাহেও রমনা এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে পালানোর সময় পায়ে গুলি করা হয়েছে। তিনি এখন পঙ্গু। মাদক ব্যবসা করে পার পেয়ে যাবেন এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। মাদক ব্যবসায়ীর খোঁজ পেলেই পুলিশ তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘ঢাকা মহানগরী থেকে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও খুন সব উঠে গেছে বললেই চলে। বনানীতে একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। যারা এ হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল পুলিশি অ্যাকশনের কারণে তাদের সবাই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কার সাহস আছে মাস্তানি করবেন করেন, আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’ পুলিশের গুলশান বিভাগ আয়োজিত এই সমাবেশে অন্যদের মধ্যে গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মোস্তাক আহমেদ বক্তব্য দেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত