বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের তীর দখল করে গড়ে ওঠা ৫৫টি অবৈধ স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ১৮তম দিনের অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্র্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, বুড়িগঙ্গা-তুরাগতীরে দ্বিতীয় পর্বের উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ের শেষ দিন ছিল গতকাল। আগামী ১৯ মার্চ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী তিন দিন তুরা নদের তীর দখলমুক্ত করতে গাবতলী থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায়ের অভিযান চালানো হবে।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে জানান, গতকাল সাভারের বড়বরদেশী মৌজা, গাবতলী ও আমিনবাজারে তুরাগ নদের উভয় তীরে ৫৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাকা দেয়াল ২০টি, বাঁশের জেটি ১৫টি ও টিনের ঘর ২০টি। গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত ১৮ দিনের অভিযানে ২ হাজার ২৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবমুক্ত করা হয়েছে ৫২ একর জমি।
২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেক বৈঠকে ঢাকার চারপাশের নদী ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দূষণ বন্ধ ও নাব্য ফিরিয়ে এনে নদীরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠন করে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ উচ্ছেদ কার্যক্রম চলছে। নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি সংসদে বলেন, নদীতীরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ঠেকাতে কারও প্রভাবই খাটবে না। বিআইডব্লিউটিএর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
