জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া বলেছেন, ‘যেসব কারখানা পণ্য তৈরি করে দেশের চাহিদা মেটাচ্ছে তাদের নানা সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এখন নজর দিচ্ছি রপ্তানি ব্যবসার দিকে। যারা দেশের চাহিদা মিটিয়ে পণ্য রপ্তানি করবে তাদেরও সুবিধা দেওয়া হবে’।
গতকাল শনিবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন শেষে তিনি কারখানার কর্মকর্তাদের এসব কথা বলেন। পরে তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের কারখানায় বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের নেতৃত্বে রয়েছে ওয়ালটন। সরকারের রাজস্ব খাতে বড় অবদান রাখছে তারা। এখন সময় এসেছে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য দিয়ে বহির্বিশ্বে প্রতিনিধিত্ব করা। এক্ষেত্রে এনবিআরের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
দেশের আরও কোনো কোম্পানি ভালো উৎপাদন করলে তাদেরও সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা করার কথা ভাবেন অনেকেই। রাজস্ব ফাঁকি না দিলে নাকি ব্যবসা করা যায় না। এমন ধারণা ঠিক নয়। এই ধারণা পাল্টাতে হবে। সকালে এনবিআর চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম এবং পরিচালক এস এম রেজাউল আলম। এ সময় এনবিআর চেয়ারম্যানের সফরসঙ্গী ছিলেন তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম, এনবিআর সদস্য (মূসকনীতি) রেজাউল হাসান, সদস্য (শুল্কনীতি ও আইসিটি) ফিরোজ শাহ আলম, সদস্য (করনীতি) কানন কুমার রায়, ঢাকা উত্তর কাস্টমস কমিশনার জাকিয়া সুলতানা ও গাজীপুরের কমিশনার (আয়কর) মো. আলী আজগরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় অন্যদের মধ্যে ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম, তাহমিনা আফরোজ তান্না এবং রাইসা সিগমা হিমা, নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, উদয় হাকিম ও গোলাম মুর্শেদ, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মিলটন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
