বাংলাদেশের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পেতে পারে ভুটান

আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৯, ০২:৪৯ এএম

চলতি বছরের এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। ওই সময় দেশটিকে বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় বাংলাদেশ-ভুটান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এমন ইঙ্গিত দেন।

শহীদুল বলেন, ‘বৈঠকে আমরা বাণিজ্য, কানেক্টিভিটি, স্কলারশিপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।’ ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব সনাম শং বলেন, ‘ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীÑদুজনই বাংলাদেশে পড়াশোনা করেছেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ১০ বছর বাংলাদেশে মেডিকেলের ছাত্র ছিলেন। বাংলাদেশ শুধু ভুটানের চিকিৎসকই তৈরি করছে না, সেখানের নেতাও তৈরি করছে। এ জন্য বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের পর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পেতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিংয়ের সফরের সময় ট্রান্সশিপমেন্ট বিষয়ে       

দুই দেশের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সই করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ট্রান্সশিপমেন্টের এসওপির প্রাথমিক খসড়া চূড়ান্ত হয় বলে জানিয়েছে ওই সূত্রটি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই খসড়াটি ভুটানে পাঠানো হবে। ভুটান কোনো সংশোধনী না চাইলে এটিই চূড়ান্ত হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসওপি প্রায় চূড়ান্ত হলেও ফি চূড়ান্ত হয়নি। ফি নিয়ে আরেকটি কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। সেটি ভারতের দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট ফির কাছাকাছি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ভুটান বর্তমানে বাংলাদেশের বুড়িমারী ও তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করে থাকে। তৃতীয় দেশে পণ্য আমদানি-রপ্তানির জন্য ভুটান চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ চেয়ে আসছে। বাংলাদেশ এ দুটি বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দিতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত