নিজ নিজ ক্ষেত্রে গৌরবময় ও অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘোষিত এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে গতকাল সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তাদের হাতে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা তুলে দেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ টাকার চেক, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক ও সনদপত্র দেওয়া হয়।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ এটিএম জাফর আলম (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী একেএম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. কাজী মিসবাহুন নাহার, আব্দুল খালেক (মরণোত্তর), অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ (মরণোত্তর) ও ব্যারিস্টার শওকত আলী খান (মরণোত্তর); চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজসেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, সংস্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাগ্রিকালচার (বিআইএনএ)।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিচারপতি, জাতীয় সংসদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক, পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও কবি-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী এবং দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
গত ১০ মার্চ ২০১৯ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১২ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে সরকার। দুই দিন পর ব্যারিস্টার শওকতের নাম ঘোষণা করা হয়।
