আমরা অনেকে বুঝতেই পারি না নিজের ঘরে রয়েছে রোগবালাইয়ের উৎস। ভারতের পরিবেশ রক্ষা সংস্থার তথ্যমতে বাইরের চেয়ে ঘর তিন থেকে পাঁচ গুণ বেশি দূষিত হয়, যদি সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়।
ঘরের রং এবং কার্পেট থেকে রোগ ছড়ায়। রোগ দেখা দিতে পারে ফার্নিচার থেকে। এসব উৎস বেশি সমস্যা করে অ্যালার্জি এবং শ্বাসকষ্টের রোগীদের। এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবং ঘরের বায়ু দূষণ বন্ধ করতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ঘরে কিছু গাছ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
ক্ষুদ্রাকৃতির খেজুর গাছ: এই ধরনের গাছ খুব ধীরে বাড়ে। কিন্তু একবার বড় হলে কয়েক দশক বাঁচে। লম্বায় এরা আট থেকে দশ ফুট হয়। এই গাছ ঘরকে জাইলিন মুক্ত রাখে। পেইন্ট এবং কার্পেট থেকে এই ধরনের পদার্থ বাতাসের সঙ্গে মিশে থাকে। নাসা বলছে, প্রতি ১০০ স্কয়ার ফিট ঘরে একটি ক্ষুদ্রাকৃতির খেজুর গাছ রাখা উচিত।
বোস্টন ফার্ন: এটি আমাদের অতি পরিচিত ফার্ন গাছ। বাংলাদেশে এই ধরনের গাছ বহুল পরিচিত। নার্সারিতে গেলেই পাওয়া যাবে। বাথরুম, ওয়াশ রুমের জানালার কাছে এই ধরনের গাছ রাখতে হয়। এটি স্যাঁতসেঁতে অবস্থা দূর করে। বাতাস থেকে ফর্মালডিহাইডও দূর করে এই গাছ।
স্পাইডার উদ্ভিদ: এই ধরনের গাছ বাতাস থেকে কার্বন মনোক্সাইড দূর করে। নাসা জানিয়েছে, বদ্ধ ঘরের বাতাস থেকে এরা ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ শতাংশ ফর্মালডিহাইড দূর করতে পারে।
চীনা চিরহরিৎ উদ্ভিদ: চীনা সবুজ উদ্ভিদ শোয়ার ঘরে কিংবা অফিসে রাখা যায়। খুব একটা দেখভালের প্রয়োজন হয় না। এমনিতেই বড় হতে থাকে। এই গাছ বেনজিন এবং ফর্মালডিহাইড দূরে রাখে।
বাঁশের শাখা: বাঁশের শাখা বাতাসকে সিক্ত রাখে। বেনজিন এবং ফর্মালডিহাইড দূরে রাখে।
বাঁশের শাখাকে সরাসরি সূর্যের আলোয় রাখা উচিত নয়। নিয়মিত এদের পরিচর্যা করতে হয়।
