অগ্নিঝুঁকিতে থাকা ভবনের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৯, ০২:৩০ এএম

রাজধানীতে অগ্নিঝুঁকিতে থাকা সাত তলার অধিক ভবনগুলোর সংখ্যা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি বহুতল ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার বিষয়ে একটি যৌথ প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।

আদেশে বলা হয়েছে, একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করে চার মাসের মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্র্তৃপক্ষকে এ প্রতিবেদন দিতে হবে।

এ ছাড়া সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, গাড়ি ও জনবলসহ ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা এক মাসের মধ্যে জানাতে সংস্থাটির মহাপরিচালককে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

গতকাল রবিবার গুলশান সোসাইটির মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শুক্লা সারওয়াত সিরাজ হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন। আবেদনে ঢাকার বহুতল ভবনে অগ্নিঝুঁকিতে থাকা ভবনের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট অগ্নিনির্বাপণসহ বেশ কিছু নির্দেশনা চাওয়া হয়। আদালতে রিটকারী নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

ব্যারিস্টার শুক্লা জানান, চকবাজার ও এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ, পাঠ্যপুস্তকে আগুন ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয় কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। এ ছাড়া গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপন এবং এর জন্য জমি বরাদ্দে রাজউককে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, শিক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব, ঢাকার দুই সিটির মেয়র, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ও রাজউক চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত