অ্যাসাঞ্জকে বহিষ্কারের দাবি অস্বীকার ইকুয়েডরের

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৯, ০১:০৮ এএম

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে বহিষ্কার করা হবে উইকিলিকসের এমন দাবি অস্বীকার করেছে ইকুয়েডর কর্র্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার উইকিলিকসের দাবির পর লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসের সামনে পাহারায় বসে অ্যাসাঞ্জ সমর্থক ও ভক্তরা। এনবিসি নিউজ জানায়, অ্যাসাঞ্জকে বহিষ্কারের আশঙ্কা থেকে মুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা দূতাবাস সংলগ্ন এলাকা ত্যাগ করতে নারাজ। এই ঘটনায় কোনো বাজে পরিস্থিতি এড়াতে দূতাবাসের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করেছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।

অ্যান্ডি নামের এক অ্যাসাঞ্জ সমর্থক বলেন, ‘দূতাবাসের বাইরে এলেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ফাঁসের দায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে। ইকুয়েডর তো হুমকি দিয়েই রেখেছে। তারা যেকোনো মুহূর্তে অ্যাসাঞ্জকে বের করে দিতেই পারে। সে কারণেই আমরা অনেকে এখানে জড়ো হয়েছি। তাকে বের করে দেওয়ার আশঙ্কা থাকলে কালও আমরা এখানে থাকব।’ ‘জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চাই’, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা চাই’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে দূতাবাস প্রাঙ্গণ।

টুইটার পোস্টে ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জো ভ্যালেন্সিয়া অবশ্য উইকিলিকসের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

দূতাবাসের বাইরে দায়িত্বরত ব্রিটিশ পুলিশের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেছেন, পরোয়ানা জারি থাকায় বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করা হবে। তবে সেখানে থাকা অ্যাসাঞ্জ সমর্থকদের কারণে কাজটি খুব সহজ হবে না বলেই মনে হচ্ছে।

২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জু-লিয়ান অ্যাসাঞ্জ। ২০১৮ সালের জুনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে জানা যায়, সে দেশের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয়ের সুরক্ষার অবসান ঘটাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত