স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণের’ মামলা না নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:০৩ এএম

পাথরঘাটায় অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ‘ধর্ষণের’ ঘটনায় পুলিশ মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই কিশোরী ও তার স্বজনদের অভিযোগ, উপজেলার হরিণঘাটা বনে গত বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনায় তারা মামলা করতে চাইলে পাথরঘাটা থানার ওসি মামলা নেননি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ১৩ বছর বয়সী মেয়েটিকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

মেয়েটি জানায়, ছোটবেলায় তার বাবা মারা যাওয়ায় পর মা আবার বিয়ে করেন। তাই বড় ভাইয়ের কাছে থেকে পড়াশুনা করে সে। এক মাস আগে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের শাহজাহান প্যাদার ছেলে ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী জলিল প্যাদার সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে কথা হয়। পরে জলিল পরিচয় গোপন করে বেলাল পরিচয়ে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ঘটনার পর পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে জলিলের আসল পরিচয় জানতে পারে সে। 

ওই স্কুলছাত্রীর দাবি, গত বৃহস্পতিবার সকালে জলিল তাকে বানর দেখানোর কথা বলে কৌশলে হরিণঘাটা বনে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় হরিণঘাটা এলাকার ট্রলার চালক আলতাফ হোসেন ঘটনাটি দেখে ফেলে। একপর্যায়ে আলতাফও তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এদিকে মেয়ের মা ও বড় ভাইয়ের অভিযোগ, এ ঘটনায় বিকেলেই তারা পাথরঘাটা থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু ওসি মামলা নিতে রাজি হননি।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি হানিফ সিকদার বলেন, মামলা করার জন্য কেউ থানায় আসেনি। বরং আমরা ঘটনাটি জানার পর তাদের মামলা করতে বলেছি। ঘটনার একদিন পরও মামলা হয়নি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত