পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে চায় না উত্তর কোরিয়া। ‘অনর্থক ও বেপরোয়া কথাবার্তা’ বলেন পম্পেও, এমন অভিযোগ দেশটির।
বিবিসি জানায়, উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “পম্পেও থাকলে ‘খুব বাজে’ সংলাপ হবে এটি। তার পরিবর্তে আরও বেশি সাবধানী কাউকে সংলাপে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।”
বুধবার শক্তিশালী ওয়্যারহেড সমৃদ্ধ নতুন একটি ‘কৌশলগত যুদ্ধাস্ত্রের’ পরীক্ষা চালানোর পরেই পম্পেওকে নিয়ে এমন মনোভাব জানায় উত্তর কোরিয়া।
ফেব্রুয়ারিতে দেশটির নেতা কিম জং উন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে অনুষ্ঠিত সম্মেলন কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়াই ভেঙে যাওয়ার পর এ পরীক্ষা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত বছর পম্পেও চারবার উত্তর কোরিয়া সফর করেন। একবার কিমের সঙ্গে বৈঠকও করেন।
গত সপ্তাহে, মার্কিন সিনেটের একটি উপ-কমিটির বৈঠকে পম্পেওকে জিজ্ঞেস করা হয়, কিমকে ‘স্বেচ্ছাচারী শাসক’ হিসাবে বর্ণনা করলে তিনি একমত হবেন কিনা। তখন পম্পেও তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘অবশ্যই, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।’
পম্পেওর এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা কওন জং-গুন বলেন, “তার বেপরোয়া কথাবার্তা আমাদের সর্বোচ্চ নেতার মর্যাদাকে আঘাত করেছে। এতে তার মূল চরিত্র উন্মোচিত হয়ে পড়েছে।”
হ্যানয় সম্মেলন সফল না হওয়ার জন্য পম্পেওকেই দায়ী করেন তিনি।
তিনি বলেন, “সংলাপে পম্পেও যুক্ত থাকলে আবারও হতাশ হতে হবে সেই সঙ্গে আরও জটিলতা সৃষ্টি হবে।”
