ময়মনসিংহের ফুলপুরে এক স্কুলশিক্ষক দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবারের ঘটনাটি জানাজানি হয় গত বৃহস্পতিবার। তদন্ত সাপেক্ষে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
উপজেলার সলঙ্গা গ্রামের মোহাম্মদ বাবুলের মেয়ে নূপুর (৮) স্থানীয় সলঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের সমাপনী পরীক্ষা চলাকালে ভুল করায় নূপুরকে বেধড়ক পেটান সহকারী শিক্ষক আশরাফ আলী। ওই সময় নূপুরের কান্না ও চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন ও মেয়ের চাচা খোকন জানান, স্কুল থেকে রক্তমাখা জামা নিয়ে নূপুর কেঁদে সেদিন বাড়িতে আসে। কিন্তু এরপরও স্কুলের কোনো শিক্ষক তার খোঁজ পর্যন্ত নেননি। গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে নূপুরের চিকিৎসা করা হয়েছে।
নূপুরের মা সালমা খাতুন ও বাবা মোহাম্মদ বাবুল অভিযোগ করে জানান, শিক্ষকের বেধড়ক পেটানোর কথা মনে হলেই তাদের মেয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। তার কান ও শরীরে আঘাত রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক ছাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ একই রকম কথা বলেছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌসও। তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
