বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একে একে তিনজনের ধর্ষণ

আপডেট : ১৩ মে ২০১৯, ০৪:০৪ এএম

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একে একে তিন বন্ধু এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন বলে ওই ঘটনার মামলার তিন নম্বর আসামি আকমল বিশ্বাস (২০) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় বিশেষ আদালতে মুখ্য বিচারিক হাকিমের সামনে তিনি জবানবন্দি দেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মুজাফ্ফার হোসেন।

জবানবন্দিতে আকমল বলেন, ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে বোয়ালমারীতে ইউসুফ শেখ (২০) ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ে করবেন না বলে জানিয়ে দেন। এরপর তিনি ও মেহেদী হাসান (২৪) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং ধর্ষণ করেন।’

বোয়ালমারী থানার ওসি (তদন্ত) শহীদুল ইসলাম জানান, চার মাস ধরে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের একটি গ্রামের ১৯ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামের ইউসুফের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৮ মে বিকেল ৩টার দিকে ইউসুফ ওই তরুণীকে বিয়ে করার কথা বলে মুঠোফোনে পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আসতে বলেন। আসার পর ওই তরুণীকে নিয়ে ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় মেহেদীর বাড়িতে তোলেন ইউসুফ। এরপর তাকে বিয়ে না করে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। ইউসুফ ও মেহেদীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ আদালতের কাছে রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত