বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান থাকা নাইকো দুর্নীতি মামলাসহ আরো ১২ মামলার বিচারকাজ এখন থেকে চালানোর জন্য কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
কারাগারের সামনে ২ নম্বর ভবনের অস্থায়ী আদালতে এসব মামলার বিচারকাজ অনুষ্ঠিত হবে।
গত রোববার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপণ জারি হয়েছে।
প্রজ্ঞাপণে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনের অস্থায়ী আদালতে মামলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
মামলাগুলো হলো-রাজধানীর দারুসসালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে করা ৮ মামলা, যাত্রাবাড়ী এলাকায় বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার মামলা, মানহানির অভিযোগে করা তিন মামলা।
বর্তমানে মামলাগুলো সাবেক নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং বকশি বাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অবস্থিত বিশেষ আদালতে অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর ও অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। ওই দিন থেকে তাকে রাখা হয় নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে।
এরপর গত বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টের রায়ে এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বেড়ে ১০ বছর হয়। আগের দিন ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত।
দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কেবিন ব্লকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
