ঈদের নামাজের জন্য প্রস্তুত হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ। কড়া নিরাপত্তায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার বাংলাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। চাঁদ না দেখা গেলে ঈদ একদিন পিছিয়ে যাবে।
প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
জাতীয় ঈদগাহে নামাজে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদেরকে শিক্ষা ভবন, মৎস্য ভবন ও প্রেস ক্লাবের সামনে আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টরের তল্লাশির মধ্যে দিয়ে জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশ করতে হবে বলে জানিয়েছেন রমনা বিভাগীয় উপ-পুলিশ কমিশনার মারুফ সরদার।
তিনি বলেন, ঈদ জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের জায়নামাজ এবং প্রয়োজনে ছাতা ছাড়া অন্য কিছু আনতে দেওয়া হবে না। ভ্যানিটি ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দা, ছুরি, কাঁচি, যেকোনো ধারালো বস্তু, মোবাইল ফোন, দাহ্য পদার্থসহ অন্য সব জিনিস আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানিয়েছেন, ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়ন করা হবে। জাতীয় ঈদগাহ ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রোববার ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, এবার কম-বেশি এক লাখ মুসল্লি জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করতে পারবেন। ঈদগাহে এক সঙ্গে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষের অজুর ব্যবস্থা ছাড়াও শৌচাগারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
