ঈদের খাবার: কোনটি গরম খাবেন, কোনটি ঠাণ্ডা

আপডেট : ০৬ জুন ২০১৯, ০৭:৪৭ পিএম

এখন চলছে ঈদ। ভরপুর খাওয়া-দাওয়ার সময়। কিন্তু খাবার খাওয়ার সময় আমরা কতোটা সচেতন থাকি? খাবার কী গরম গরম খাই? না কি ঠাণ্ডা? 

গ্রীষ্ম হোক বা শীত, খাবার গরম করে খেতেই ভাল লাগে। কিন্তু ব্যস্ততার যুগে সবসময় রান্না করে খাওয়ার সময় থাকে না। তাই এক বারে অনেকটা রান্না করে তা দিয়েই দু’-তিন বেলা চালিয়ে নেওয়ার একটা প্রবণতা থাকে।

খাবার গরমের ক্ষেত্রে  মাইক্রোওয়েভেই আস্থা রাখেন বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবারে ভিটামিন বি১২ ক্রমে তার কার্যকরিতা হারায়। এক এক বার খাবার গরম করলে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভিটামিন বি১২ নষ্ট হয় খাবারের।

তা ছাড়া বেশ কিছু খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে সেই খাবারের খাদ্যগুণ নষ্ট হয় ব্যাপক ভাবে। জানেন কি কোন খাবারগুলি মাইক্রোওয়েভে গরম করা উচিত নয় বলে মতপ্রকাশ গবেষকদের?

•    অধিকাংশ বাড়িতে একসঙ্গে দু’বেলার ভাত রান্না হয়। অভেন থেকে নামানোর পরে ভাত যদি ঘরোয়া তাপমাত্রাতেই রেখে দেওয়া হয় তা হলে ভাত যত ঠান্ডা হতে থাকে তত নানা ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে থাকে । সেই ঠান্ডা হওয়া ভাত যদি আবার গরম করা হয় তবে ব্যাকটিরিয়াগুলির ক্ষতিকারক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায়।

•    ডিমের ঝোল, ডিমের কারি, ডিম সেদ্ধ বা অমলেট কোনওটাই গরম করে খাওয়া ভাল নয়। কারণ ডিম দ্বিতীয় বার গরম করলে তার প্রোটিন নষ্ট হয়ে যায়।

 

•    চিকেন বা মুরগির মাংসেও প্রোটিনের মাত্রা যথেষ্ট থাকে। তাই দ্বিতীয় বার গরম করলে প্রোটিনের অণুগুলি ভেঙে যায়। কিন্তু রান্না করা চিকেন যদি মাইক্রোওয়েভে গরম করা হয় তা হলে এই ব্যাকটেরিয়া মাংসের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এই ব্যাকটেরিয়া গুরুতর পেটের অসুখ ঘটাতে পারে।

•    যে কোনও ধরনের শাকও দ্বিতীয় বার গরম করা উচিত নয়।

•    রান্না করা বা সেদ্ধ করা আলু ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিলে তাতে ব্যাকটিরিয়ার জন্ম হয়। সেই ব্যাকটেরিয়া অতটা ক্ষতিকর নয়, কিন্তু তা ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে ফের ওই রান্না করা আলু গরম করার সময়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত