বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা রাজনীতি করছি, কিন্তু গণমানুষের যে প্রত্যাশা সেটা তুল ধরতে ব্যর্থ হচ্ছি।
দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল এ সভার আয়োজন করে।
বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরামের এই নেতা বলেন, ‘অনেকে আমাদের দোষারোপ করে আমরা খালি নির্বাচন চাই, এটা চাই, সেটা চাই কিন্তু গণমানুষের যে প্রত্যাশা সেটা তুলে ধরতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। এটা তো স্বীকার করতে হবে। আমরা যদি নিজেদের আত্মসমালোচনা না করি তাহলে কিন্তু এদের সমাধান দেওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘শুধু তাঁতীদল নয় এই যে কৃষকদল, কৃষক দলের একটা দায়িত্ব আছে আজকে কৃষকের যে দুরাবস্থা। এটা কৃষক দলের প্রধান দায়িত্ব যে তারা এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা এবং যাদের প্রতিনিধিত্ব করছে তাদের সাথে যোগাযোগও করা।’
২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের জন্য সরকারের সমালোচনা করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেট দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে না। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়। তারা একদিকে লুট করছে, অন্যদিকে বাজেট দিচ্ছে, দেশ পরিচালনা করছে, পলিসি নির্ধারণ করছে। আজকে সব একীভূত। সত্যিকার অর্থে যারা ভোট চুরি করে তাদের হাতে দেশের সম্পদ নিরাপদ নয়। তাদের দ্বারা সম্পদের সুষম বণ্টন হতে পারে না।
দলের সাংগঠনিক বিষয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, সাংগঠনিক সবকিছু প্রোটোকল মেনে কাজ করার পরিবেশ দেশে নেই। সব অংগ সংগঠনকে যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। এটার প্রয়োজনিয়তা আছে। তা না হলে অন্যরা কাজ করবে না। বাজেটে দেশের তাঁতী সম্প্রদায়ের জন্য কি দেয়া হয়েছে সে নিয়েও তাঁতী দলকে কাজ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আজকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির সঙ্গে সবকিছু জড়িত। তার মুক্তির সঙ্গে জড়িত মানুষ ভোটাধিকার ও নিরাপত্তা ফিরে পাবে কি না। ন্যায়বিচার পাবে কি না। আমাদের এক দাবি নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে দুপা এগিয়ে চিৎকার করতে হবে। সেটা হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, ওলামা দলের আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হক, বিএনপির তাঁতীবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি হুমারুন ইসলাম খান প্রমুখ।
