জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কর্নিয়া। সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে তার গাওয়া ক্রিকেটের গান ‘প্রেমের খেলা’। এ গান ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
ক্রিকেটের গান
গত ১৭ জুন ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে আমার ক্রিকেটের গান ‘প্রেমের খেলা’র মিউজিক ভিডিও। ‘তুই ফার্স্ট ওভারের ফার্স্ট বলেতে করতে গিয়া আউট/আমার প্রেমে খেই হারাইয়া কইরা গেলি শাউট’ এমন কথার গানটি লিখেছেন অনুরূপ আইচ। জুয়েল মোর্শেদের সুর ও সংগীতে গানটিতে আমার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রতীক হাসান। তবে ভিডিওতে আমাকে দেখা যাচ্ছে না। ভিডিওর শ্যুটিংয়ের দিন আমি খুব অসুস্থ ছিলাম, তাই অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু এরই মধ্যে গানটির জন্য খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি।
ইউটিউব ভিউ নিয়ে ভাবনা নেই...
আমি একটি গানের কত ইউটিউব ভিউ হয়েছে, তা নিয়ে ভাবি না। কারণ এখন দর্শক-শ্রোতারা সাময়িক সময়ের আনন্দের জন্যই ইউটিউব বেশি দেখে। এতে যেসব গানে চটুল কথা, দ্রুত লয় আর ভারী মিউজিক রয়েছে, সেগুলোই বেশি ইউটিউব ভিউ পাচ্ছে। এর আড়ালে অনেক ভালো গান হারিয়ে যাচ্ছে, যা একজন শিল্পীর জন্য খুবই কষ্টকর। তবে কোন গানটি সত্যিই জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তা আমরা বুঝতে পারি কনসার্টে গাওয়ার অনুরোধ এলে। আমার একটা ঘটনা এখনো মনে আছে। নেত্রকোনা শো করতে গিয়েছি। কয়েকজন দর্শক বারবার মেসিকে নিয়ে গাওয়া আমার গানটি শুনতে চাচ্ছিল। কিন্তু আমি গানটি রেকর্ডিংয়ের পর আর গাইনি। তাই সুর-কথা অনেকটাই ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু দর্শকের এত অনুরোধ আসছিল যে, স্টেজেই ইউটিউব থেকে গানটি শুনে তৎক্ষণাৎ গলায় তুলে গেয়েছিলাম। এরপর থেকে প্রায়ই গানটির জন্য অনুরোধ আসে কনসার্টে।
শিল্পীদের মানসিকতা...
আমরা সব সময় শুনে এসেছি একজন শিল্পী যতই বড় হন, তার আচার-ব্যবহার তত বেশি নম্বর হয়। সাবিনা ইয়াসমীন, রুনা লায়লা থেকে শুরু করে আঁখি আলমগীর, কনা আপুর মধ্যে আমি এ বিষয়টি দেখেছি। কিন্তু আমাদের সমসাময়িক অল্পকিছু শিল্পীর জন্য পুরো প্রজন্মকে কথা শুনতে হয়। অল্পদিনের ক্যারিয়ারে তারা যে ব্যবহার করেন, তাতে আমি অবাক হই। শুধু ইউটিউব ভিউ দিয়েই যদি বড় শিল্পী হওয়া যেত, তাহলে তো তাদেরই সবচেয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখতাম। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। তাহলে তারা এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ব্যবহার কীভাবে করেন? শুনেছি তারা দর্শকের সঙ্গে সেলফিও তুলতে চান না! এমনকি নিজেরাই দাবি করেন, তারা অনেক বড় শিল্পী! এ বিষয়টি নিয়ে আমি ইদানীং বেশ বিরক্ত।
