বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলার আশা টিকিয়ে রাখার ম্যাচে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যানচেস্টারে শনিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি শুরু হয়েছে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।
নিউজিল্যান্ড অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে আছে তিনটি পরিবর্তন। বাদ পড়েছেন আন্দ্রে রাসেল, শ্যানন গ্যাব্রিয়েল ও ড্যারেন ব্রাভো। দলে এসেছেন কার্লোস ব্রাথওয়েট, অ্যাশলে নার্স ও কেমার রোচ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই বিশ্বকাপ শুরু করেছিল দারুণ সম্ভাবনা নিয়ে। প্রথম ম্যাচে তারা পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করেছিল ট্রেন্ট ব্রিজে। সেদিন ক্যারিবীয়দের বোলিং দেখে সোনালি দিনের স্মৃতি মনে পড়ছিল ক্রিকেট দুনিয়ার। দুই সপ্তাহ পরের ছবিটা কত বদলে গেছে। চলতি বিশ্বকাপ আসরে উইন্ডিজকে এখন এতটাই নড়বড়ে মনে হচ্ছে যে, কেউ আশা দেখছেন না। কাগজে-কলমে অবশ্য সেমিফাইনাল খেলার আশা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তবে আজ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে হারলে তা শেষ হয়ে যাবে। তাই ক্লাইভ লয়েডের মতো কিংবদন্তিরা কেন উইলিয়ামসনের কাছ থেকে লড়াই শেখার পরামর্শ দিচ্ছেন ক্রিস গেইলদের।
তাহলে কি আজ পিছিয়ে থেকে মাঠে নামবে ক্যারিবিয়ানরা? প্রতিভার প্রাচুর্য দেখে কেউ হয়তো বলবেন নিউজিল্যান্ডের চেয়ে শক্তিতে পিছিয়ে নেই জেসন হোল্ডারের দল। কিন্তু আধুনিক ক্রিকেটে প্রতিভাই শেষ কথা নয়। ম্যাচ জেতায় পেশাদারিত্বের ভূমিকাও অপরিসীম। আর এ পেশাদারিত্বেই উইন্ডিজের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। এখনো পর্যন্ত খেলা পাঁচ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে কিউইরা। একটাও ম্যাচ হারেনি।
বৃষ্টির কারণে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বাদ দিলে চার ম্যাচ জিতেছে তারা। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটিতে হারতেও পারত নিউজিল্যান্ড। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচটাও তাদের জন্য সহজ ছিল না। অথচ চূড়ান্ত পেশাদারিত্ব দেখিয়ে দুটি ম্যাচই জিতেছে কিউইরা। পক্ষান্তরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় বাজে শর্ট খেলে পরাজিত হয় উইন্ডিজ। বাংলাদেশের সঙ্গে ৩২১ রান করেও ছন্নছাড়া বোলিংয়ের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি।
এম্যাচে হারলেই ক্যারিবিয়ানদের সেমির স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে উইন্ডিজকে আজ হারালে সেমিতে এক পা দিয়ে ফেলবে গত বিশ্বকাপের রানার্সআপ কিউইরা।
