হোয়াটসঅ্যাপ স্মার্টফোনের জন্য জনপ্রিয় একটি ম্যাসেঞ্জার। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনে এই ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করা যায়। শুধু চ্যাটই নয়, এ ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ছবি আদান-প্রদান, ভিডিও ও অডিও মিডিয়া বার্তাও আদান-প্রদান করা যায়। ব্যবহারকারীর ফোনে থাকা ফোন নম্বর তালিকা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর সিংকক্রোনাইজ করে নেয়। ফলে আলাদা করে আইডি যোগ করার প্রয়োজন হয় না।
এবার ভারত সরকার হোয়াটসঅ্যাপের মতো নিজস্ব মেসেজিং অ্যাপ আনার পরিকল্পনা করছে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই নাকি এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপের যাবতীয় সুবিধা থাকবে নতুন এই অ্যাপে। বিশ্বখ্যাত সাময়িকী বিজনেস ইনসাইডার বলছে, এ পদক্ষেপের ভেতর দিয়ে ভারত মূলত সাইবার দুনিয়ায় স্বনির্ভর হতে চাইছে।
সম্প্রতি হুয়াওয়ের সঙ্গে আমেরিকার বিরোধও ভারতকে সতর্ক করেছে। ভবিষ্যতে যদিআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে অন্য দেশের সম্পর্ক খারাপ হয়, তাহলে সেসব দেশের প্রযুক্তি ব্যবহার করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে।
ভারতের আইটি বিভাগের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা জানান, নিরাপত্তার খাতিরে নিজস্ব ই-মেইল, মেসেজিং অ্যাপ সবই প্রয়োজন। প্রাথমিক স্তরে সরকারি কর্মচারীরাই এই অ্যাপটি ব্যবহার করবেন। পরে সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেও এই চ্যাট অ্যাপ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, এই অ্যাপটির নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
