ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক

রাস্তার ওপর ১৪ খুঁটি রেখেই প্রশস্তকরণ

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৯, ১০:৫৬ পিএম

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের বেদগ্রাম এলাকায় হাই ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের অন্তত ১৪টি খুঁটি রেখেই রাস্তা প্রশস্তকরণ কাজ চলছে গত ৬ মাস ধরে। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে রয়েছে এ সড়কে চলাচলকারীরা। এ ছাড়া নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নকশা বহির্ভূত কাজের অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও সড়ক বিভাগের বিরুদ্ধে।

সড়ক-মহাসড়কে থাকা সব ধরনের খুঁটি অপসারণের জন্য দুই মাসের সময় বেঁধে দিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু গোপালগঞ্জের সড়ক-মহাসড়ক থেকে কোনো খুঁটি অপসারণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ।

সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের বেদগ্রামে চৌরাস্তা নির্মাণের কাজ করছে সড়ক বিভাগ। সিডিউল অনুযায়ী চলতি জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ শেষ পর্যায়ে হলেও রাস্তার মধ্যে অন্তত ১৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি থাকায় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে রয়েছে এ পথে চলাচলকারীরা।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। গত ছয় মাস ধরে এই মহাসড়কের বেদগ্রাম অংশে চৌরাস্তা নির্মাণের কাজ চলছে। শুরু থেকে এসব হাই ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের কথা বলা হলেও, এখন পর্যন্ত খুঁটি অপসারণ করা হয়নি। এমনকি সড়কের অনেক স্থানে খুঁটি রেখেই পিচ-ঢালাই সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে রয়েছে এ মহাসড়কে চলাচলকারীরা। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও সড়ক বিভাগের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নকশা বহির্ভূত কাজের অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। বেদগ্রাম বাজার কমিটির সভাপতি ইনসান আলী শেখ বলেন,  সবার চোখের সামনে এমন অনিয়ম হলেও এখন পর্যন্ত সড়ক বিভাগের কেউ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে বিষয়টি অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওহিদ কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি এনায়েত হোসেন দাবি করেন নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফুল আলম বলেন, বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানোর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানোর বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি (বিদ্যুৎ বিভাগ-পিডিবি) গোপালগঞ্জের ওজোপাডিকো নির্বাহী প্রকৌশলী মামুনর রশীদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত