নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. বিপ্লব (৩১) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ডিবির দাবি, গত সোমবার গভীর রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোডে এ ঘটনা ঘটে। বিপ্লব ফতুল্লার চাঁদমারি এলাকার সুলতান মিয়ার ছেলে। তিনি শীর্ষ
মাদক কারবারি ছিলেন। একই রাতে রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গায় পদ্মা নদীর পাঁচ নম্বর আই-বাঁধ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধের সময় ‘ডুবে’ মাদক মামলার আসামি মো. আমিন (৩৫) মারা যান। তার বাড়ি নগরীর হাড়–পুরে। বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ
নারায়ণগঞ্জ : ডিবির এসআই কামরুল ইসলাম জানান, মাদকসহ ১৪ মামলার আসামি বিপ্লবকে গ্রেপ্তারের জন্য লিঙ্ক রোডের পাশে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের দিকে অভিযানে গেলে গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। ডিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে তারা পালিয়ে গেলে বিপ্লবের লাশ পাওয়া যায়। এ সময় এসআই ওসমান, এএসআই সোহেল এবং দুজন কনস্টেবল আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাজশাহী : মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, গত সোমবার রাত ৩টার দিকে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে এমন খবরে পুলিশ পদ্মা নদীর পাঁচ নম্বর আই-বাঁধ এলাকায় অভিযানে যায়। এ সময় মাদক কারবারিরা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির একপর্যায়ে তারা পালিয়ে গেলে আমিনকে নদীতে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রুহুল কুদ্দুস বলেন, আমিনের শরীরে গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বন্দুকযুদ্ধের সময় পদ্মার পানিতে ডুবে তিনি মারা গেছেন। ঘটনাস্থল থেকে ৭৯ বোতল ফেনসিডিল, দেশে তৈরি একটি শুটার গান ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমিনের বিরুদ্ধে মাদকসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে এসআই মোহাম্মদ আলী, রাশেদুল ইসলাম ও মতিউর রহমান আহত হয়েছেন।
