শুক্রবার শোনা যায় আটকের কথা। পরে আসে অবরুদ্ধ হওয়ার খবর। শনিবার জানা গেলে, এখনো প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন।
ভারতের উত্তর প্রদেশের শোনভদ্র এলাকায় গুলি চালানো ঘটনার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে মূলত সাক্ষাৎ করতে যান প্রিয়াঙ্কা। মির্জাপুরের চুনার গেস্ট হাউজে তাকে শুক্রবার থেকে আটক করে স্থানীয় প্রশাসন। এখন সেখানেই এই সাক্ষাৎপর্ব চলছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই।
জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মোট ১২ সদস্য কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন।
শোনভদ্রে চলতি সপ্তাহে জমি নিয়ে বিবাদে ১০ জন খুন হন। উত্তর প্রদেশের ডিজিপি ও পি সিং জানিয়েছেন এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সেজন্যই প্রিয়াঙ্কাকে সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি।
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘২৪ ঘণ্টা হল; যতক্ষণ না শোনভদ্র ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে আমাকে না-দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে আমি এলাকা ছাড়ব না।’
এর আগে কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক শোনভদ্রে নিহতদের পরিবারের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন করেন, চোখের জল মোছানো কি অপরাধ?
গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উত্তর প্রদেশ প্রশাসনের মনোভাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের উচিত এদের পরিবারের দেখাশোনা করা। যখন এদের সঙ্গে অঘটন ঘটেছে, তখনই তাদের সাহায্য করা উচিত ছিল। প্রশাসনের মানসিকতা আমার বোধের বাইরে।’
প্রিয়াঙ্কাসহ কংগ্রেসের অন্য কর্মীরা যে গেস্ট হাউজে ছিলেন সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। মোবাইল ফোনের আলোয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার সাক্ষাৎ করার ছবি কংগ্রেস কর্মীদের শেয়ার করতে দেখা গেছে।