নেত্রকোনায় পৃথক দুই ঘটনায় বিদ্যুৎস্পর্শে মৎস্যজীবী, দাদি ও নাতির মৃত্যু হয়েছে। কেন্দুয়া উপজেলায় মৎস্যজীবী এবং সদর উপজেলায় দাদা-নাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
কেন্দুয়া উপজেলায় সান্দিকোনা ইউনিয়নের পেরিরচর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো. জাকারিয়া (৩৫), তিনি পেশায় একজন মৎস্যজীবী।
জানা গেছে, রবিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুকুরে সেচের জন্য মর্টার সুইচ দেয়ার সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক পিয়াস পাল জানান, হাসপাতালে আনার পূর্বেই বিদ্যুৎস্পর্শে আহত জাকারিয়ার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে নেত্রকোনার সদর উপজেলায় আমতলা ইউনিয়নের বলনিয়া গ্রামে আরেক ঘটনায় শিয়ালের কাছ থেকে হাঁস-মুরগি বাঁচাতে খামারে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়ে তৈরি করা ফাঁদের তারে বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে দাদি ও নাতির মৃত্যু হয়েছে।
তারা হলেন- ওই গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী শরীফা আক্তার (৪৮) ও তার ছেলে নাজিম উদ্দিনের শিশু সন্তান আরমান হোসেন (৮)।
এ ব্যাপারে মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বিল্লাল হোসেন জানান, বাড়িতে একটি ছোট ঘরে খামার তৈরি করে হাঁস, মুরগি পালন করতেন নিহতদের পরিবারটি। প্রায় সময় শিয়ালসহ কিছু বন্যপ্রাণী হানা দিয়ে খামারের হাঁস, মুরগি খেয়ে ফেলতেন। এ থেকে হাঁস, মুরগি বাঁচাতে খামারের চারদিকে বিদ্যুতায়িত করে ফাঁদ করে রাখা হয়।
শনিবার দিবাগত রাতে খোয়ারে হাঁস-মুরগি ঠিকঠাক আছে কিনা তা দেখতে গেলে অসাবধানতায় শিশু আরমানের শরীরে তৈরিকৃত ফাঁদে বৈদ্যুতিক তারের স্পর্শ লাগে। এ সময় তাকে বাঁচাতে দাদি এগিয়ে গেলে তিনিও গুরুতর আহত হন।
পরিবারের লোকজন তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
