দুধ সংগ্রহ বন্ধ

সড়ক ও পানিতে ঢেলে খামারিদের প্রতিবাদ

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৯, ০১:১৪ এএম

পাস্তুরতি তরল দুধ উৎপাদন ও বপিণনে উচ্চ আদালতরে নষিধোজ্ঞার পর দুগ্ধ সংগ্রহ বন্ধ করে দয়িছেে ১৪টি প্রতষ্ঠিান। এতে বপিাকে পড়ছেনে সরিাজগঞ্জ ও পাবনার লক্ষাধকি খামার গতকাল সোমবার বক্রিি করতে না পরেে ও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় সড়ক ও পানতিে দুধ ঢলেে প্রতবিাদ জানয়িছেনে তারা।

মানবদহেরে জন্য ক্ষতকির উপাদান থাকায় ১৪ কোম্পানরি পাস্তুরতি দুধ উৎপাদন, সরবরাহ ও বক্রিতিে গত রববিার পাঁচ সপ্তাহরে নষিধোজ্ঞা দয়ে হাইর্কোট। গতকাল সোমবার প্রতষ্ঠিানগুলোর মধ্যে মল্কিভটিার ক্ষত্রেে হাইর্কোটরে দওেয়া নষিধোজ্ঞা আট সপ্তাহরে জন্য স্থগতি করছেনে চম্বোর বচিারপত।ি

খামাররিা জানান, সরিাজগঞ্জরে শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া এবং পাবনার ভাঙ্গুড়া, ফরদিপুর, বড়ো ও সাঁথয়িাসহ আশপাশরে উপজলোর ১৫ হাজার দুগ্ধ খামারে প্রতদিনি আড়াই লাখ লটিার দুধ উৎপন্ন হয়; যা রাষ্ট্রায়ত্ত মল্কিভটিাসহ বভিন্নি কোম্পানতিে সরবরাহ করা হয়। উচ্চ আদালতরে নষিধোজ্ঞার পর সংগ্রহ বন্ধ থাকায় ১০-১২ টাকা দরওে দুধরে ক্রতো মলিছে না। বভিন্নি ব্যাংক ও এনজওি থকেে ঋণ নয়িে ব্যবসা পরচিালনা করা খামাররিা দুধ বক্রিতিে বকিল্প ব্যবস্থা নওেয়ার দাবি জানয়িছেনে।

সরজেমনিে গতকাল সকালে দখো গছে,ে বক্রিি করতে না পরেে শাহজাদপুররে খামাররিা ক্ষোভে বন্যার পানতিে দুধ ফলেে দয়িছেনে। উপজলোর রশেমবাড়ি গ্রামরে খামারি আবদুস সামাদ ফকরি বলনে, তার খামারে প্রায় ১৫০টি গাভী রয়ছে;ে দনৈকি ৫০০-৫৫০ লটিার দুধ হয়। তনিি বলনে, ‘আদালতরে আদশেরে পর বক্রিরি জায়গা না থাকায় এই দুধ নয়িে এখন কী করব ভবেে পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে সব শষে হয়ে যাব।ে’ তার মতোই অবস্থা এলাকার অন্য খামারদিরেও।

কোম্পানগিুলোর তথ্য অনুযায়ী, দশেে বড়-ছোট মলিয়িে প্রায় ১৪টি কোম্পানি এখন তরল দুধ সংগ্রহ ও বপিণন কর।ে সরবরাহ ভালো থাকলে দনৈকি ৭-৮ লাখ লটিার দুধ সংগ্রহ করে তারা। ভরা মৌসুমে এর পরমিাণ আরও বড়েে যায়। তাদরে দুধ সংগ্রহরে মূল কন্দ্রে শাহজাদপুর উপজলো। মূল্য নর্ভির করে দুধরে ননরি মাত্রার ওপর। গড়ে ৪০ টাকা লটিার দরে ৮ লাখ লটিার দুধরে দাম আসে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা।

শাহজাদপুররে পোতাজয়িা চন্দ্রপাড়া গ্রামরে আবদুর রউফ বলনে, ‘আমার এলাকায় সবাই গো-খামার।ি সবার ঘরইে দুধরে উৎপাদন আছ।ে হঠাৎ দুধ সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় কোথাও দুধ বক্রিি হচ্ছে না। এখন আমরা খামাররিা এত দুধ নয়িে কোথায় যাব? বাধ্য হয়ে পানতিে ফলেে দচ্ছি।ি’

পোতাজয়িা প্রাথমকি দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমতিরি সভাপতি মো. ওয়াজ আলী বলনে, ‘সামনে কোরবানরি ঈদ। এখন হঠাৎ কোম্পানগিুলো দুধ সংগ্রহ বন্ধ করায় হাজার হাজার খামারি চরম বপিাকে পড়ছেনে। আমরা এখন কোথায় যাব, গরুগুলোকইে কী খাওয়াব?

এ বষিয়ে বাঘাবাড়ী মল্কিভটিা কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (ডজিএিম) ডা. ইদ্রসি আলী জানান, ‘আমাদরে এ কারখানায় প্রতদিনি ১ লাখ লটিার দুধ সংগ্রহ করা হলওে আদালতরে নর্দিশেরে পর খামারদিরে কাছ থকেে তা নওেয়া হচ্ছে না। আবার আদালতরে নর্দিশে পলেে দুধ সংগ্রহ করা হবে ।

এদকিে গতকাল সকাল থকেে কোথাও বক্রিি করতে না পরেে হতাশায় ভাঙ্গুড়া বাজারে প্রায় ৪০০ লটিার দুধ রাস্তায় ঢলেে প্রতবিাদ করছেনে খামাররিা। ভাঙ্গুড়ার পৌর ময়ের ও দুগ্ধ ব্যবসায়ী গোলাম হাসনায়নে রাসলে জানান, ভাঙ্গুড়া ও আশপাশরে এলাকা থকেে রাষ্ট্রায়ত্ত মল্কিভটিা ছাড়াও প্রাণ, আকজি ও ব্র্যাক ডইেরি র্অধশতাধকি সংগ্রহকন্দ্রে দুধ সংগ্রহ করে । প্রতদিনি ভাঙ্গুড়াতইে প্রায় ৬০ হাজার লটিার দুধ উৎপাদন হয়। কন্তিু হাইর্কোটরে নর্দিশেনার পর কোনো কোম্পানইি আর খামারদিরে দুধ নচ্ছিে না। মষ্টিরি দোকান, বকোরসিহ খুচরা বাজারে ১০ টাকা লটিার দরওে দুধ বক্রিি করা যাচ্ছে না।

উপজলোর পাথরঘাটা গ্রামরে গো-খামারি হারুন অর রশদি জানান, ব্যাংক থকেে ঋণ নয়িে তনিি আটটি গরু নয়িে খামার করছেনে। গত দুই মাস ধরে ক্রমাগত লোকসানে দুটি গরু বক্রিি করে দতিে বাধ্য হয়ছেনে। সকাল থকেে প্রায় ৩০ লটিার দুধ নয়িে বভিন্নি স্থানে ধরনা দয়িওে বক্রিি করতে পারনেনি । ক্ষোভে দুঃখে দুপুরে ভাঙ্গুড়া বাজারে সব দুধ রাস্তায় ঢলেে দয়িছেনে।

মল্কিভটিার ভাঙ্গুড়া উপজলোর শরৎনগর দুগ্ধ শীতলীকরণ কন্দ্রেরে ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা ডা. আশরাফ আলী জানান, ‘র্ঊধ্বতন র্র্কতৃপক্ষরে নর্দিশেে সোমবার থকেে পাবনা ও সরিাজগঞ্জরে সব কন্দ্রেে দুধ সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে পরর্বতী নর্দিশেনা না আসা র্পযন্ত কোনো খামাররি দুধ কনো হবে না।’

পাবনার জলো প্রশাসক কবরি মাহমুদ জানান, দুগ্ধ খামারদিরে আকস্মকি সংকটরে বষিয়টি র্ঊধ্বতন র্র্কতৃপক্ষকে জানিয়েছি  সরকার তাদরে প্রতি সহানুভূতশিীল। প্রাণসিম্পদ র্কমর্কতাদরে সঙ্গে নয়িে এ সংকট মোকাবলিায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত