একজন অধ্যাপক কর্তৃক ১৪টি কোম্পানির পাস্তুরিত তরল দুধ পরীক্ষার পেছনে আমদানিকারকদের কারসাজি রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার সকালে লন্ডন থেকে এক টেলি-কনফারেন্সের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে একজন অধ্যাপক এক পরীক্ষার পর জানালেন এসব কোম্পানির দুধ ব্যবহার উপযোগী নয়। একটি রিটকে কেন্দ্র করে হাইকোর্ট ১৪টি কোম্পানির দুধ পাস্তুরাইজেশনের ওপর পাঁচ সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
তিনি বলেন, “কেউ এর ফলাফল সম্পর্কে চিন্তা করেনি। যারা এই দুধ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে তাদের ভাগ্যে কি ঘটবে কেউ ভাবেনি। যদি তারা টাকা রোজগার করতে না পারে এবং তাদের গরুকে খাওয়াতে না পারে তাহলে কি অবস্থা দাঁড়াবে?”
এসব বাস্তবতা সম্পর্কে ভাবাটা খুব জরুরি মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, “যে অধ্যাপক ১৪টি কোম্পানির দুধ পরীক্ষা করেছিলেন, তিনি আমদানিকৃত দুধের ওপর সেটি করেছিলেন কিনা?”
তিনি বলেন, “আমার মনে হয় তিনি সেটা করেননি। কাজেই তার দুধের আমদানি, মজুদ, মোড়কজাত এবং বাজারজাতকরণের ওপর পরীক্ষাটা করা উচিত।”
বাংলাদেশ আমদানির ওপর নির্ভর করতে চায় না, বরং আত্মনির্ভরশীল হতে চায় মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা সকল পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদের চাহিদা মেটাতে চাই।”
“কাজেই এখানে আমদানিকারকের কোনো কারসাজি রয়েছে কিনা এবং এক্ষেত্রে তারা কাউকে উৎসাহিত করছে কিনা তা দেখা উচিত” যোগ করেন তিনি।
বাসস জানায়, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
এতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মেয়রদ্বয় অংশগ্রহণ করেন।
