সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ি গ্রামের যমুনা নদীর এক খালে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা গেছে ঢাকা জেলা পুলিশের এসআই রাসেলের মেয়ে পরী খাতুন (৭)। গত বুধবার বিকেলের দিকে ওই খালে আরও দুই শিশুর সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় পরী। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে খাল থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।
এদিকে একই উপজেলার মনসুর নগর ইউনিয়নের সিন্নারচর এলাকার যমুনা নদীতে বরযাত্রীবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ কনস্টেবল বিল্লাল হোসেনের (৩১) লাশ বৃহস্পতিবার দুপুরে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝির বডিগার্ড ছিলেন।
কাজিপুর থানার ওসি এ কে এম লুৎফর রহমান দুটি লাশ উদ্ধারের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এসআই রাসেল তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিয়ে ঈদের ছুটিতে শ্বশুর খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এনামুল হকের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বুধবার বিকেলের দিকে যমুনা নদীর ক্যানেলে দুই শিশুর সঙ্গে গোসল করতে নেমে পরী নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। অন্যদিকে কনস্টেবল বিল্লালের লাশ উদ্ধারের ঘটনা সম্পর্কে ওই ওসি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কাজিপুর উপজেলার মাজনাবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীতে বিল্লাল হোসেনের লাশ ভেসে ওঠে।
