১৫০ প্রস্তাবের মধ্যে বেছে ১৫টি নাটক করেছি

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৯, ১১:২৫ পিএম

জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। মঞ্চ, বিজ্ঞাপন, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র সব মাধ্যমেই সফল। দুবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ঈদে টেলিভিশন ও ইউটিউবে তার অভিনীত একাধিক নাটক প্রচার হয়েছে। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ

ঈদের পর নতুন কাজ...

ঢাকাতেই ঈদ করেছি। প্রত্যেক ঈদ যেমন করে কাটাই, তেমন করেই কেটেছে এবারও। নাটক দেখি, খাই-দাই, ঘুমাই আর ঘুরতে বাইরে বের হই। প্রতিবারই ঈদের পর সাধারণত ৮-১০ দিনের বিরতি নিই। আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন কাজ শুরু করব।

নিজের নাটক দেখা...

নিজের অভিনীত কয়েকটি নাটক দেখেছি। গাজী টিভিতে ঈদের দ্বিতীয় দিন বৃন্দাবন দাসের রচনা ও দীপু হাজরার পরিচালনায় ‘জয়েন ফ্যামিলি’, পান্থ শাহরিয়ারের রচনা ও সাগর জাহানের নির্মাণে আরটিভিতে ঈদের তৃতীয় দিন ‘ক্ষণিকের আলো’, ‘হ্যাভিওয়েট মিজান’, বাংলাভিশনে মাসুদ সেজানের ‘চরিত্র : ভাড়াটিয়া’, বিটিভিতে ঈদের দিন ‘নো ডাক্তার’ দেখেছি। সব মিলিয়ে পাঁচ-ছয়টি নাটক দেখেছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি ‘ট্রাস্ট মি’ নাটকের জন্য। এটি সিরিয়াস গল্পের একটি নাটক। নাম ছিল কিন্তু ‘টুনটুনি’, নাটকের শিশু চরিত্রটির নাম অনুযায়ী। তবে এটির নাম পরে ‘ট্রাস্ট মি’ হয়েছে সেটি জানতামই না!

এবারের ঈদের নাটক...

এবারের ঈদের নাটকে সিরিয়াস ও মানবিক গল্পের প্রাধান্য বেশি ছিল। ভাঁড়ামি ট্রেন্ড থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে; ভাঁড়ামি নাটক তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। এটা খুবই আশাব্যঞ্জক। ঈদে প্রায় ১৫০টি নাটকের অফার পেয়েছি। এর মধ্যে বেছে ১৫টি নাটক করেছি। যেগুলোর বেশির ভাগই সিরিয়াস ও মানবিক গল্প। তবে নাটকের মূল সমস্যা স্ক্রিপ্টিং। বেশির ভাগ সময়ে শ্যুটিং করতে গিয়ে দেখি ২৫টি সিকোয়েন্সের মধ্যে ২৫টিই আমার! প্যারালাল ক্যারেক্টার তেমন করে নেই বললেই চলে। দু-একজনের বেশি চরিত্র নেই। ভালো স্ক্রিপ্টের অভাব। হুটহাট করে লিখলেই তো আর হয় না! কোনো প্রিপারেশনও নেই।

দায়বদ্ধতা কার?

এই দায়বদ্ধতা শিল্পী এবং দর্শক দুই পক্ষেরই। আর্টিস্টকে যেমন মানসম্পন্ন কাজ উপহার দিতে হবে, তেমনি দর্শককেও ভালো কাজের সাপোর্ট দিতে হবে। দর্শক এখন গৎবাঁধা রোমান্টিক নাটকই দেখছে। আর সবাই ভিউ দেখেই নাটকের সফলতা ও ব্যর্থতার বিচার করছে। আমরা সামগ্রিকভাবে ভুল রাস্তায় ছুটছি। অন্যদিকে, শুধু টাকা আর ভিউয়ের পেছনে না ছুটে আর্টিস্টদের ভালো কাজের পেছনে ছোটা উচিত। লোভ সংবরণ করা দরকার। তবে এই ঈদের কাজ নিয়ে আমি অনেক বেশি পজিটিভ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত