ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের বগৈর গ্রামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে (১২) দুই দিন ধরে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার কিশোরীকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইমন (১৫) নামে এক বখাটেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাত ৮টার দিকে কিশোরীকে বগৈর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায় ইমন। সেখানে আটকে রেখে টানা দুদিন ধর্ষণ করে। পরে গত শুক্রবার সকালে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে রিকশায় তুলে দেয়। রাতে কিশোরীর মা বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আলমগীর হোসেন জানান, বিয়ের কথা বলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে কিশোর ইমন। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
এদিকে আখাউড়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আমিন (২০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আখাউড়া পৌরশহরের টানপাড়া এলাকার ওই শিশু উঠানে খেলতে গেলে ফুসলিয়ে এলাকার আবুলের ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে আমিন। এ সময় শিশুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আমিনকে আটক করে। আবুল হোসেন পালিয়ে যায়। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোনারগাঁয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল থানায় মামলা হয়েছে। পরে আসামি ওবায়দুল হক ওরফে উজ্জলকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নে রিবর বালিকা পাইলট স্কুলে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে উজ্জ্বলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উজ্জ্বল বিয়ে করবে বলে বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্ক করে। গত ১৫ মে সন্ধ্যায় দলরদী পরাননগর গ্রামে শাহ আলমের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রী উজ্জ্বলকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে, উজ্জ্বল বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। পরে গতকাল শনিবার ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা করে।
