কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত রবিবার বিশাল রোহিঙ্গা সমাবেশের বিষয়ে সরকার আগে থেকে কিছু জানত না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন গতকাল শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি আয়োজিত শোক দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আমরা টেলিভিশন দেখে এ তথ্য পেয়েছি। আমরা জেনেছি তারা দোয়া করার জন্য এই সমাবেশ করেছে। সেজন্য আপত্তি করা হয়নি। সেখানে অনেক দাবি-দাওয়া এসেছে। এখন আমরা নতুন করে চিন্তাভাবনা করব কীভাবে ইস্যুটা মোকাবিলা করা যায়।’
এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনের বড় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তিনি মানুষকে ভালোবাসতেন। পুরো এশিয়া মহাদেশে যে কয়টি দেশ আছে তার মধ্যে বাংলাদেশের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি। এটি সম্ভব হয়েছে কারণ আমরা বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে চলি। আজকে যদি বঙ্গবন্ধুকে দুর্বৃত্তরা হত্যা না করত তাহলে দেশ আরও ২০ বছর আগে উন্নত হতো।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মেজবাহউদ্দিন আহমেদ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সেক্রেটারি বেনজির আহমেদ।
