প্রাথমিকে বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ হচ্ছে

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৯, ০১:৫৩ এএম

পঞ্চম শ্রেণি ও ইবতেদায়িতে ফলাফলের ওপর শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে সারা দেশে ১ লাখের কিছু বেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়। এ সংখ্যাকে বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠাতে বলেছে মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে

আয়োজনে গত ২৪ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানান, বৈঠকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব তোলা হয়। এতে বৈঠকে থাকা সবাই সম্মতি দিয়েছেন।

বর্তমানে পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সারা দেশে প্রাথমিকের ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যালেন্টপুল ও ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে সাধারণ কোটায়সহ মোট ৮২ হাজার ৫০০ জনকে প্রাথমিকে বৃত্তি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ৭ হাজার ৫০০ জনকে ট্যালেন্টপুল ও ১৫ হাজার সাধারণসহ মোট ২২ হাজার ৫০০ জনকে বৃত্তি দেওয়া হয়। এসব শিক্ষার্থীকে বৃত্তি বাবদ ট্যালেন্টপুলে মাসিক ৩০০ টাকা আর সাধারণ বৃত্তি বাবদ মাসিক ২২৫ টাকা করে দেওয়া হয়।

সভায় সারা দেশের প্রাথমিকের ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর বদলে প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যক শিক্ষার্থীকে এবং ইবতেদায়ির ২২ হাজার ৫০০ জনের বদলে ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রতি বছর বৃত্তি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

জানা গেছে, এ আলোচনার ভিত্তিতে বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিতে ডিপিই ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রস্তাবনা পাওয়ার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈঠকের মাধ্যমে যৌক্তিক সংখ্যা নির্ধারণ করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিইর মহাপরিচালক এফ এম মনজুর কাদির গতকাল মঙ্গলবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রাথমিক ও সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদানের সংখ্যা ও অর্থ বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সভায় প্রতিমন্ত্রী ও সচিবসহ সকলে সম্মতি জানিয়েছেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত