মুলাডুলিতে আগাম জাতের ‘অটো’ শিমে ভরে গেছে মাঠের পর মাঠ। এলাকার প্রায় ২৫টি গ্রামের মানুষ শিমের ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকে ইতিমধ্যে বাজারজাত করতে শুরু করেছেন আগাম জাতের এই শিম। তবে দাম বেশ চড়া। এদিকে খরচের তুলনায় দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে প্রশান্তির হাসি। গতকাল শুক্রবার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলিসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দেশের প্রধান শিম উৎপাদনকারী এলাকা হিসেবে পরিচিত ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে প্রায় ৩ হাজার চাষি শিমের ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত।
শিম চাষকে কেন্দ্র করে ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে গড়ে ওঠা বাজার থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে শিম। এখনই সেখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৫-২০ মণ শিম ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি শিম পাইকারিতেই রাখা হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
ঈশ্বরদীতে গত মৌসুমে ১ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। চলতি মৌসুমে এই পরিমাণ আরও বাড়বে বলে ধারণা তাদের। আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যেই পুরোদমে এসব শিম বাজারে আসবে।
মুলাডুলির বড় শিমচাষি আমিনুর রহমান (শিম বাবু) বলেন, ‘এবার ভালো ফলনের আশা করছি। আগাম আবাদের কারণে “অটো” শিম ইতিমধ্যেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই শিমে বাজার ভরে যাবে।’
