বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।
এ মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে রিফাত ফরাজীকে, যিনি বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে। মিন্নিকে করা হয়েছে ৭ নম্বর আসামি। যিনি এ মামলার এজাহারে ছিলেন এক নম্বর সাক্ষী হিসেবে।
২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা আক্তার মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। একাধারে রিফাতকে কুপিয়ে বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ত্যাগ করে হামলাকারীরা। তারা চেহারা লুকানোরও কোনও চেষ্টা করেনি।
গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, বয়সের কারণে দুই ভাগে ভাগ করে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন। বাকি ১৪ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক। প্রাপ্তবয়স্ক তালিকার ১ নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী এবং এই তালিকায় ৭ নম্বর আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। অপ্রাপ্ত বয়স্ক আসামির তালিকায় ১ নম্বর আসামি রিশান ফরাজী।
এ ছাড়া মামলার প্রধান আসামি বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৫ জন গ্রেফতার রয়েছেন, বাকিরা পলাতক বলেও জানান তিনি।
