নগরীতে ক্লিনিকে এক যুবকের মৃত্যুর পর ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে চিকিৎসককে মারধর করেছে রোগীর স্বজনরা। গত শনিবার রাতে মো. রিপন সরদার (২৪) নামে ওই যুবক মারা গেলে এমন ঘটনা ঘটে। চিকিৎসককে লাঞ্ছনার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ জানায়, নগরীর মুজগুন্নীর শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা শওকত সরদারের ছেলে সিটি পলিটেকনিকের ছাত্র রিপন সরদার বুকে ব্যথা অনুভব করায় গত শনিবার রাত ১২টার দিকে তাকে খালিশপুর ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চিকিৎসা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই রিপনের মৃত্যু হয়। এসময় তার স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে চিকিৎসক ডা. সুজাউদ্দিন সোহাগকে মারধর করে এবং তাকেসহ রিপনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গেও রোগীর স্বজনরা বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সেখান থেকে কায়েস ও কৌশিক নামে দুই যুবককে আটক করে পুলিশ।
খালিশপুর ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার রাত ১২টার পরে বুকে ব্যথা নিয়ে একজন রোগী আসে। তাকে সম্ভাব্য সকল চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালে রোগীর মৃত্যু হলে ডা. সুজাউদ্দিনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে স্বজনরা খুমেক হাসপতালে নিয়ে যায়। তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খুমেক হাসপাতালের অর্থপেডিক ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।’
সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. মমতাজুল হক বলেন, ‘চিকিৎসককে লাঞ্ছিত ও জিম্মি করে খুমেক হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য কায়েস ও কৌশিক নামে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।’
