খসড়া চূড়ান্ত

পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গ্রেড হবে জিপিএ ৪

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৫২ এএম

পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ জিপিএ ৫-এর বর্তমান গ্রেডিং পদ্ধতি সংশোধন করে জিপিএ ৪-এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সরকার। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেএসসি পর্যন্ত একই গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। গতকাল রবিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে গ্রেডিং পদ্ধতি পরিবর্তনসংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পাবলিক পরীক্ষায়

গ্রেড পরিবর্তন কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন নতুন পদ্ধতি উপস্থাপন করেন। এরপর সবার সম্মতিতে খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়। এ নিয়ে আরও দু-একটি সভার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, জেএসসি-জেডিসি, এসএসসি-সমমান, এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪ করা হবে। এ ক্ষেত্রে ৯০ থেকে ১০০ পর্যন্ত ‘এ প্লাস’ বা জিপিএ-৪, ৮০-৮৯ পর্যন্ত ‘এ’, ৭০-৭৯ ‘বি প্লাস’, ৬০-৬৯ ‘বি’, ৫০-৫৯ ‘সি প্লাস’, ৪০-৪৯ ‘সি’, ৩৩-৩৯ ‘ডি’ এবং শূন্য থেকে ৩২ ‘এফ’ গ্রেড বা অকৃতকার্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভা শেষে অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন জিপিএ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হবে। এতে বহির্বিশ্বের সঙ্গেও সমন্বয় থাকছে। তিনি বলেন, সভায় নতুন গ্রেডসংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাবনা প্রকাশের পর এ নিয়ে উপস্থিত সবার মতামত চাওয়া হলে সবাই ঐকমত্য প্রকাশ করেন। চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি-জেডিসি) পরীক্ষা থেকে জিপিএ ৪ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ ৪-এর সঙ্গে সমন্বয় করে নিচের স্তরের সব পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ ৪ করা হচ্ছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এটি একটি বড় কর্মযজ্ঞ, তাই চূড়ান্ত করার আগে আরও দু-একটি সভা করা প্রয়োজন। বিশ্বের সঙ্গে সমন্বয় রেখে গ্রেড পদ্ধতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। কোনো পরিবর্তনের ফলে কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যায় পড়ছে। নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে সে সমস্যার নিরসন হবে।’ সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. সৈয়দ গোলাম ফারুক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত