বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনীতি চলবে কি না সে সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি। তিনি বলেছেন, ‘১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ দিয়ে কিছু এবং বাকি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব আইনে পরিচালিত হচ্ছে। এজন্য সাংগঠনিক রাজনীতি চলবে নাকি বন্ধ হবে, তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব বিষয়।’
গতকাল শনিবার চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন,
‘দেশে এখন প্রায় দেড়শ বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি নিয়ে বিভিন্ন কথা উঠছে। উপাচার্যদের নিয়েও কথা হচ্ছে। এতগুলো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দু-একটি নিয়ে কথা উঠতেই পারে। উপাচার্যরাও তো মানুষ। তবে অভিযোগ আসা উপাচার্যদের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে দীপু মনি বলেন, ‘বুয়েটের হত্যাকাণ্ডে অপরাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সবকিছুই হয়তো ভূমিকা রেখেছে। আবাসিক হলে দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা র্যাগিং, বুলিংয়ের মতো অপসংস্কৃতি সমস্যা করছে। এগুলো বন্ধে বুয়েটের ছাত্র-শিক্ষক, অভিভাবকরা একটু উদ্যোগী হলে আবরার হত্যাকাণ্ড ঘটত না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবকিছুর জন্য রাজনীতিকে দোষ দিলে হবে না। রাজনীতি ছাড়া দেশ চলে? আপনি যা কিছু করবেন তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই চলে। রাজনীতিটা সুস্থ ধারায় আনতে হবে। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।’
পরে দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতি দেখে স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা এখন মরণ কামড় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। এজন্য আমাদেরও প্রতিমুহূর্ত সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’
চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়া প্রমুখ।
