আদিতমারী উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে স্ত্রী ও মেয়ের নামে ভিজিডি কার্ড করে চাল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। কার্ডের কথা স্বীকার করলেও নুরের দাবি, তিনি চাল উত্তোলন করছেন না। এদিকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে (ভিজিডি কার্ড) তালিকা প্রণয়নের শুরুতেই নুর মোহাম্মদ সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে স্ত্রী রোকসানা বেগমের (৪৬) নামে (ক্রমিক নং-২২৫) ও মেয়ে শাহের বানুর (২৩) নামে (ক্রমিক নং-২২৬) দুটি কার্ড নেন, যা নিয়মবহির্ভ‚ত। সম্প্রতি বিষয়টি ফাঁস হয়েছে।
জানা যায়, এ কার্ডের বিপরীতে প্রতি মাসে দুস্থ নারীরা ৩০ কেজি করে চাল পান। এসব বরাদ্দকৃত নামের তালিকা করেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। আর এসব যাচাই-বাছাই করেন মহিলা উপজেলাবিষয়ক কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘তালিকার আগেই চেয়ারম্যান নিয়মনীতি বলে থাকেন। কিন্তু ইউপি সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলেছেন।’ নুর মোহাম্মদ কোনো নিয়মনীতি তোয়াক্কা করেন না বলেও জানান তিনি।
স্ত্রী ও কন্যার নামে কার্ড থাকার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্প্রতি জেনেছি। তবে কারা কার্ডের মাল উত্তোলন করছেন এ বিষয়ে কিছু জানি না।
ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী বলেন, তালিকার আগেই তাদেরকে নিয়মনীতিগুলো বলা হয়েছে। কিন্তু নুর নিয়মনীতি মানেনি।
উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রশিদা বেগম দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
