ফিডের কাঁচামাল আমদানি

আগাম কর প্রত্যাহার চান পোলট্রি ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ১২:২৩ এএম

সাশ্রয়ী মূল্যে ডিম, দুধ, মাছ ও মাংসের উৎপাদন ও সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে মাছ, মুরগি ও পশুখাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে আরোপিত আগাম কর (এটি) প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশসহ (ফিআব) পোলট্রি শিল্প সংশ্লিষ্ট তিনটি সংগঠন। তারা বলেছে, আগাম করের ফলে অত্যাবশ্যকীয় কাঁচামাল আমদানিতে নতুন করে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় তারা। সংবাদ সম্মেলনে ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (ফিআব) সভাপতি এহতেশাম বি শাহজাহান বলেন, ১৩ অক্টোবর আগাম কর প্রত্যাহার করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি হলেও ভুলবশত একটি এইচএস কোড যুক্ত করায় তা অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

ফিআব সাধারণ সম্পাদক মো. আহসানুজ্জামান বলেন, কাঁচামাল আমদানিতে আরোপিত বাড়তি শুল্ককরে কেজিপ্রতি ফিডের উৎপাদন খরচ ৩-৪ টাকা, ব্রয়লার মুরগির ৮-১০ টাকা, মাছের ৭-৮ টাকা এবং ডিমের উৎপাদন খরচ ১ টাকা বেড়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে সাশ্রয়ী মূল্যের ডিম ও মুরগির মাংস সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।

বিপিআইসিসি সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, বন্দরে পণ্য খালাস করতে সাত দিনের বেশি লাগা উচিত নয়। ল্যাব টেস্টের জটিলতায় ২০ থেকে ৪২ দিন পর্যন্ত লাগছে। এতে বিশাল অঙ্কের মাশুল গুনতে হচ্ছে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিলে আগে যে ২০ শতাংশ হারে রেয়াত পাওয়া যেত এখন সে সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত