চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিন যুবক নিহত হয়েছে। র্যাবের দাবি, গত সোমবার গভীর রাতে উপজেলার কুমিরা বাইপাস সড়কের বড় কুমিরা সেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা ডাকাত দলের সদস্য। একই রাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আরেক যুবক নিহত হয়। পুলিশ বলছে, সেও ডাকাত ছিল। উপজেলার আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর : সীতাকুণ্ড : র্যাব-৭-এর মিডিয়া পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে সীতাকুণ্ডের বড় কুমিরা সেতু এলাকায় র্যাবের একটি টহল গাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা করে একদল ডাকাত। এ সময় র্যাবের সঙ্গে তাদের গুলি বিনিময় হয়। পরে ডাকাতরা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ তিনজনসহ দুটি পিস্তল, ১২ রাউন্ড গুলি ও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড থানায় জানানো হয়। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সীতাকুণ্ড থানার এসআই মোহাম্মদ রফিকুল জানান, খবর পেয়ে অজ্ঞাত তিন যুবকের (বয়স ২৫ থেকে ৩০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
চাঁদপুর : ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রকিব জানান, এএসআই মঞ্জুর হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কড়ৈতলী এলাকায় টহলে যাচ্ছিল। আনন্দবাজার এলাকার পৌঁছলে বাগান থেকে একদল ডাকাত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। ওসি বলেন, বন্দুকযুদ্ধে এএসআই মঞ্জুর হোসেন, পুলিশ কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন ও ইসমাইল হোসেন আহত হয়েছেন।
