পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, মানবিক মূল্যবোধের সমাজ প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম একটি বড় অনুপ্রেরণা। তার সাহিত্যকর্ম চর্চা করা বাঙালির জন্য অপরিহার্য। রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা, গল্প আমাদের জীবনেরই ছবি। গতকাল শুক্রবার সিলেটে রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোমেন বলেন, শতবর্ষ আগে রবীন্দ্রনাথ সিলেটে এসেছিলেন। তখন সিলেটের মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান সবাই তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। এখন শতবর্ষ পরেও সিলেটে রবীন্দ্র স্মরণোৎসবকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে সফল করেছেন। এটা থেকেই সিলেটের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য ঐতিহ্য ফুটে উঠেছে।
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত উৎসবে সভাপতিত্ব করেন সাবেক অর্থমন্ত্রী, রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের আহ্বায়ক আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সাবেক সচিব ইনাম আহমদ চৌধুরী, ভারতের গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক উষারঞ্জন ভট্টাচার্য, রবীন্দ্র স্মরণোৎসব আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
সমাপনী বক্তব্যে মুহিত বলেন, রবীন্দ্রনাথ একজন বিশ্বসাহিত্যিক ও বিশ্বপরিব্রাজক ছিলেন। একশ বছর আগে যাতায়াত যখন খুব কঠিন ছিল, সেই সময়েও রবীন্দ্রনাথ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। দুর্গম পথ পাড়িয়ে দিয়ে তিনি সিলেটেও এসেছিলেন। তার সেই স্মৃতি স্মরণে একশ বছর পরে সিলেটবাসী যে আয়োজন করল তা ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। এই সফল আয়োজনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
