ছাত্রদের নকলে বাধার জের

শিক্ষকের ঠোঁট কামড়ে ছিঁড়ে নিলেন আরেক শিক্ষক

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০২:২৭ এএম

মাগুরার শালিখায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ছাত্রদের নকল করতে বাধা দেওয়ার জেরে এক শিক্ষক আরেক শিক্ষকের ঠোঁট কামড়ে ছিঁড়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় মান্দিয়াপাড়া বটতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শ্রীপতি বিশ্বাস স্থানীয় নাঘোষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযুক্ত উজ্জ্বল মজুমদার একই উপজেলার মশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

গুরুতর জখম অবস্থায় শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাসকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল এবং পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শালিখা থানায় একটি মামলা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শালিখার থৈপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত রবিবার পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজি পরীক্ষা চলছিল একই উপজেলার মশাখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রদের। পরীক্ষা চলাকালে ছাত্রদের নকল করতে বাধা দেন হল পরিদর্শক নাঘোষা প্রাথমিক বিদ্যালে

সহকারী শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাস। এতে মশাখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্ররা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের শিক্ষকদের কাছে নালিশ করে। এরই জের ধরে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক উজ্জ্বল মজুমদার পরদিন সোমবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে কল করে শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাসকে মান্দিয়াপাড়া বাজারে ডেকে এনে মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে উজ্জ্বল মজুমদার শ্রীপতি বিশ্বাসের মুখে কামড় দিয়ে তার ঠোঁটের একাংশ ছিঁড়ে নেয়। পরে বাজারে উপস্থিত লোকজন শ্রীপতিকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক উজ্জ্বল মজুমদার মোবাইল ফোনে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শ্রীপতি শুধু শিক্ষার্থীদেরই নয়, স্কুলের শিক্ষকদেরও বেয়াদব বলে গালমন্দ করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়ায় শ্রীপতি উল্টো আমার ওপর হামলা চালায়।’

শালিখা থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় আহত শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাসের বড় ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আসামি উজ্জ্বল মজুমদারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত