দেশের জন্য কাজ করেন এমন সবার কাছেই জাতীয় পুরস্কার বহুল আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কার। কিন্তু এই পুরস্কারের সর্বোচ্চ সম্মান পেলেও অর্থমূল্যে ছিল অনেক কম। তবে সুখবর এল, দ্বিগুণ করা হয়েছে জাতীয় পুরস্কারের অর্থমূল্য। বৃহস্পতিবার সংশোধিত ‘জাতীয় পুরস্কার/পদক সংক্রান্ত নির্দেশাবলি’ প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ ঘোষণা দেয়। এর আগে ২০১৭ সালের ১৫ মে জাতীয় পুরস্কার/পদক সংক্রান্ত নির্দেশাবলি সংশোধন করে অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছিল সরকার।
স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, বেগম রোকেয়া পদক- জাতীয় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত। বেসামরিক সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদকের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগে স্বর্ণের পদকের সঙ্গে তিন লাখ টাকা দেওয়া হতো। আগামী বছর থেকে দেওয়া হবে পাঁচ লাখ টাকা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেওয়া এ পদকে আগের মতোই থাকছে আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
একুশে পদকের ক্ষেত্রে আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্রের সঙ্গে দুই লাখ টাকা দেওয়া হতো। অর্থের পরিমাণ দুই লাখ বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে।
বেগম রোকেয়া পদকের ক্ষেত্রে অর্থ ছিল দুই লাখ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে চার লাখ টাকা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ক্ষেত্রে আঠারো ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম স্বর্ণের একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। একই সঙ্গে থাকে অর্থ, যার পরিমান দ্বিগুণ করা হয়েছে।
সংশোধিত নির্দেশাবলি অনুযায়ী, এখন থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ক্ষেত্রে আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তি তিন লাখ টাকা পাবেন। শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালককে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে এক লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের ক্ষেত্রে আগে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হতো। এখন দেওয়া হবে এক লাখ টাকা করে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ‘বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট আইন’ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলে নির্দেশনায় বলা হয়েছে। এ পুরস্কার দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।
