সুনামগঞ্জের ছাতকে দুপুরে গ্রেপ্তারের পর রাতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে লক্ষ্মণধর আলী (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, লক্ষ্মণধরের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ১২টি মামলা রয়েছে। উপজেলার জিয়াপুর গ্রামের কলমদর আলীর ছেলে লক্ষ্মণধর আরও অনেক মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন। গত রবিবার গভীর রাতে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। একই রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মিজানুর
রহমান মিন্টু ওরফে মেঘা মিন্টু (৩৪) নামে
আরেক যুবক নিহত হন। র্যাবের দাবি, তিনিও মাদক ও অস্ত্র কারবারি ছিলেন।
ঢাকা : র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক ক্ষুদেবার্তায় গতকাল সোমবার বলা হয়, রবিবার গভীর রাতে খিলক্ষেতের স্বদেশ প্রোপার্টি এলাকায় মাদক ও অস্ত্র কারবারিদের সঙ্গে র্যাব-১-এর বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মিজানুর রহমান মিন্টুর লাশ উদ্ধার করা হয়। একটি ওয়ান শুটার গান, দুটি শটগান, ১০টি কার্তুজ ও বিপুলসংখ্যক ইয়াবা উদ্ধারের তথ্য দিয়ে ওই বার্তায় আরও বলা হয়, বন্দুকযুদ্ধে এক র্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ : পুলিশ জানায়, রবিবার দুপুরে উপজেলার জাউয়াবাজার পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা ১২ মামলার আসামি লক্ষ্মণধরকে গ্রেপ্তার করেন। রাতে তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। ২টার দিকে বুকারভাঙ্গা এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে গেলে তাকে ছিনিয়ে নিতে হামলা চালায় কিছু লোক। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায়। তখন পালানোর সময় লক্ষ্মণধর গুলিবিদ্ধ হন। কৈতক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, কয়েকটি ব্যবহৃত-অব্যবহৃত শটগানের গুলি ও চারটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।
