খুচরা গ্রাহকদের ড়্গেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিতরণের মাশুল ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। এতে বিতরণ মাশুল ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১ টাকা ৫ পয়সায় পৌঁছাবে, যার হার ২১ শতাংশ। গতকাল রবিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারের টিসিবি অডিটরিয়ামে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির শুনানিতে পিডিবির জিএম (বাণিজ্যিক কার্যক্রম) কাউসার আমীর আলী এ প্রস্তাব দেন। শুনানিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, বিজিএমইএর প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন বক্তব্য দেন।
আমীর আলীর প্রস্তাবনায় বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ বিতরণে ১ টাকা ৩১ পয়সা ব্যয় হয়েছিল বলে পিডিবির হিসাব। ২০২০ পঞ্জিকা বছরে বিতরণ ব্যয় ১ টাকা ১৮ পয়সা ধরা হয়েছে, যা বিইআরসির হিসাবেও একই। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন মাশুল (হুইলিং চার্জ) বাড়লে তা ‘পাস থ্রো’ পদ্ধতিতে সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুতের ডিমান্ড চার্জও বাড়াতে হবে। ট্যারিফ সমন্বয়ের ড়্গেত্রে ইউনিটমূল্য না বাড়িয়ে ডিমান্ড চার্জ বাড়ানো যেতে পারে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিম্নচাপ (এলটি) সংযোগের লোড ৫০ কিলোওয়াট থেকে বাড়িয়ে ৮০ কিলোওয়াটে উন্নীত করা। এ ছাড়া বকেয়া বিলের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ হারে বিলম্ব পরিশোধ মাশুল আরোপ করা হবে।
তবে মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম বলেন, কেন বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন নেই সেটা আমরা শুনানিতে যুক্তি দিয়ে উপস্থাপন করি। কিন্তু বিইআরসি এসব যুক্তিকে আমলে নেয় না বলেই আমাদের আদালতে যেতে হয়। আদালতেই যদি যেতে হয় তাহলে এখানে শুনানি করার দরকার কী?
