উত্তরা ও কারওয়ান বাজারে ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:১৩ এএম

রাজধানীর উত্তরা ও কারওয়ানবাজার এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।  গতকাল মঙ্গলবার ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। উত্তরা ৬ ও ৮ নম্বর সেক্টরে অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন এবং কারওয়ানবাজারে অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ হোসেন উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, উত্তরা এলাকায় ফুটপাত ও সড়কে অবৈধভাবে স্থাপিত প্রায় ১৫০টি অস্থায়ী দোকান, টংঘর, শেড উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া ফুটপাত ও সড়কে নির্মাণসামগ্রী রাখার অপরাধে এক ব্যক্তিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া ফার্মগেট হতে সরকারি বিজ্ঞান কলেজ হয়ে তেজগাঁও-পান্থপথ লিংক রোড সড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এ সময় ফুটপাতসহ কারওয়ানবাজারের বিভিন্ন গলি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। এ অভিযানে ২৭০টির বেশি ভাসমান, অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দোকানের বাইরের ফুটপাত অবৈধ দখলের কারণে এক ফল দোকান মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসিতে নতুন যন্ত্রপাতি : মশক নিয়ন্ত্রণে আধুনিক যন্ত্রপাতির সংযোজন করেছে ডিএনসিসি। সংযোজিত যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে ২০টি মিস্টবেস্নায়ার এবং দুটি ভেহিকেল মাউন্টিং ফগার মেশিন। এছাড়া আরও তিনটি ভেহিকেল মাউন্টিং ফগার মেশিন ক্রয় করা হবে। ডিএনসিসির প্রতিটি অঞ্চলে দুটি করে ১০টি অঞ্চলে মোট ২০টি মিস্টবেস্নায়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়। মিস্টবেস্নায়ার পাওয়ার স্পেªও বলা হয়। এই মেশিনটি মশার ডিম ও লার্ভা নিধনে অর্থাৎ লার্ভিসাইডিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেসব ড্রেন ঢাকা থাকে, সেসব ড্রেনের ভেতরে লার্ভিসাইডিংয়ের জন্য মিস্টবেস্নায়ার খুব উপযোগী। এ মেশিনের সাহায্যে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত দূরত্বে লার্ভিসাইডিং করা যায়। প্রতিটি মেশিন পরিচালনা করতে মাত্র একজন জনবলের প্রয়োজন হয়। ম্যালেরিয়া অয়েল বি’সহ যেকোনো লার্ভিসাইডিংয়ের জন্য এ মেশিন ব্যবহার করা যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত