ডিজিটাল রবিনহুড : বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:২২ পিএম

ইংলিশ রূপকথার জনদরদি ডাকাত রবিনহুড কার না নায়ক! ধনীর থেকে কেড়ে নিয়ে গরিবকে বিলিয়ে দেওয়াই ছিল তার কাজ। পৃথিবীব্যাপী মানুষের অন্তরে আজও তাই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে সেই ‘মহান ডাকাত’। রবিনহুডের ভাবাদর্শেই যেন এই ইন্টারনেটের জামানায় আত্মপ্রকাশ করেছে আরেক দল ‘ডিজিটাল ডাকাত’। ধনীর থেকে কেড়ে নিয়ে গরিবের মাঝে বিলিয়ে দেওয়াই তাদের কাছে ন্যায্য কাজ।

শুধু অর্থ নয়, ‘ডিজিটাল ডাকাতেরা’ সিন্দুক ভেঙে তথ্যও হাতিয়ে নেয়। কেননা এখন তথ্যই হীরা-জহরত। কুঠুরিতে গোপন রাখা তথ্যগুলো ‘লুটে নিয়ে’ এই ডাকাতেরা জনসম্মুখে প্রকাশ করে দেয়। কখনো আবার মহৎ কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা ধসিয়ে দেয় কোনো করপোরেশানের ওয়েবসাইট, সার্ভার বা ডাটাবেইজ।

বৃহত্তর সমাজের স্বার্থে এসব ‘অন্যায় কর্ম’ করে ডিজিটাল যে ডাকাতেরা, তাদের বলা হয় ‘হ্যাক্টিভিস্ট’। ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ বা সামাজিক-সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের কর্মীরা কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যেমন নানান কর্ম-পদ্ধতি অবলম্বন করে, তেমনি সাইবার-স্পেসে বা ইন্টারনেটের দুনিয়ায়, ডিজিটাল-পরিসরে তৎপর হ্যাকাররাও অন্যায়ভাবে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ডাটাবেইজে ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নেওয়াটিকে আন্দোলনেরই অংশ মনে করে।

হ্যাক্টিভিজমকে অনেক ক্ষেত্রেই ‘ইলেক্ট্রনিক সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স’ বা সাইবার-পরিসরে ‘আইন অমান্য আন্দোলন’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। অবশ্য ‘হ্যাক্টিভিজম’ ও ‘ইলেক্ট্রনিক সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স’-এর মধ্যে কিছুটা ফারাক রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন। কিন্তু ব্যবধান-রেখাটা কখনো-কখনো এতই সূক্ষ্ম যে, এদের হুট করে আলাদা করা মুশকিল। তবে, ‘হ্যাক্টিভিজম’-এর ক্ষেত্রে সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো, হ্যাকারদের প্রবেশ ‘আনঅথোরাইজড’। মানে অনুমতির তোয়াক্কা না করেই হ্যাকাররা কম্পিউটারে বা সার্ভারে ঢুকে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

যেমন ২০০১ সালে জার্মান এয়ারলাইনস লুফ্ঠহানসার বিপক্ষে প্রতিবাদের ডাক দেয় নাগরিক অধিকার নিয়ে সোচ্চার দুটো গোষ্ঠীÑ ‘লিবারেটেড’ ও ‘কাইন্স মেন্শ ইশ্ট ইললিগাল’ (কোনো মানুষই অবৈধ নয়)। ‘এথিকেল হ্যাকিং’ গ্রন্থে এলেনা মরুশাৎ উল্লেখ করেছেন, সেই সময়ে অবৈধ অভিবাসীদেরÑ যারা জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হয়েছিলÑ জার্মানি থেকে জবরদস্তিমূলক তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর কাজে কর্র্তৃপক্ষ লুফ্ঠহানসা এয়ারলাইনসকে ব্যবহার করছিল। এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাক্টিভিস্টরা অফ-লাইনে যেমন প্রতিবাদ জানায় তেমনি একদল হ্যাক্টিভিস্ট লুফ্ঠহানসার সিস্টেমে হামলা করে এবং তাদের সার্ভার দুই ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেয়।

হ্যাক্টিভিজম নিয়ে বলতে গেলে সবার আগে আসে ‘অ্যানোনিমাস’-এর নাম। দুনিয়ার তাবড়-তাবড় সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সরকারের বিভিন্ন এজেন্সিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে তারা হামলা করেছে। অ্যানোনিমাসের আক্রমণের তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, ইসরায়েল, অস্ট্রেলিয়া থেকে শুরু করে তিউনিসিয়া ও উগান্ডার মতন দেশও। ২০১১ সালে আমেরিকায় যে ‘ওকুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্ট’ হয় সেটিকে তারা সমর্থন জানিয়েছিল।

‘ওকুপাই মুভমেন্ট’ চলার সময় এই আন্দোলনের সমর্থনে দুটো হ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপÑ ‘অ্যানোনিমাস’ ও ‘টিম পয়জন’ যৌথভাবে কাজ করে। সে-সময় তারা ‘অপারেশন রবিনহুড’ নামে একটি প্রজেক্ট ঘোষণা করে। ‘অপারেশন রবিনহুড’-এর মূল উদ্দেশ্য ও কাজ সম্পর্কে জানাতে সে সময় পয়জন একটি ভিডিও পোস্ট করে। সেখানে বলা হয়, এই অপারেশনের আওতায় তারা ব্যাংকগুলোতে হামলা করবে এবং অর্থ হাতিয়ে নেবে। ভিডিওতে আরও বলা হয়, ‘অপারেশন রবিনহুড’ ক্রেডিট কার্ড হস্তগত করবে। প্রাপ্ত অর্থ দুনিয়ার বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান এবং ৯৯% বা ‘নাইনটি নাইন পারসেন্ট’-এর কাজে ব্যবহৃত হবে।

বলা দরকার, ‘ওকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’ আন্দোলনের অন্যতম মূল সেøাগান ছিল ‘উই আর দি নাইনটি নাইন পারসেন্ট’ অর্থাৎ ‘আমরাই শতকরা নিরানব্বই শতাংশ’। এটি রাজনৈতিক সেøাগান। এখানে মার্কিন সমাজের তীব্র ধন-বৈষম্য ফুটে উঠেছে। এই ৯৯% বলতে বোঝানো হয়, মাত্র ১% ধনীর হাতে সমাজের প্রায় সব অর্থ ও সম্পদ পুঞ্জীভূত হয়ে আছে। অথচ, সংখ্যায় শতকরা ৯৯% হওয়ার পরেও জনতার জীবন বৈষম্যে জর্জরিত। পয়জনের বক্তব্যেও এই ৯৯ ভাগের কথাই উল্লেখ করা হয়।

হ্যাক্টিভিস্টরা নিজেদের কাজটিকে জরুরি জ্ঞান করে। এই কাজে তারা কতটা নিবেদিত সেই বিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে ‘উই আর লিজিয়ন : দি স্টোরি অফ দি হ্যাক্টিভিস্টস’ তথ্যচিত্রে। সেখানে অ্যানোনিমাস ছাড়াও বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তির কথা আছে।

ডিজিটাল যুগের রবিনহুডদের কথা বলতে গেলে সর্বাগ্রে আসে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের নাম। আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধসহ আমেরিকার যাবতীয় থলের বিড়াল বের করে দিয়ে সারা দুনিয়াকে হতভম্ব বানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ২০০৭ সালে বাগদাদে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে অন্তত ১২ জনকে নির্বিচারে গুলি করার ভিডিও প্রকাশ করাসহ দুনিয়ার বিভিন্ন ঘটনার লাখ-লাখ গোপন নথি তিনি ফাঁস করে দিয়েছেন। অ্যাসাঞ্জকে যে লোকে ‘ডিজিটাল জামানার রবিনহুড’ বলে ডাকে এ বিষয়ে অনেক কথা বলা আছে ‘ইউরোপোস্ট’-এর ‘জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জÑ দি ডিজিটাল এরা রবিন হুড’ প্রতিবেদনে।

ডিজিটাল যুগের রবিন হুডদের মধ্যে আরেক নায়ক এডওয়ার্ড স্নোডেন। মার্কিন ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি সারা দুনিয়া জুড়ে গোপনে যে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে সেই বিষয়ে তথ্য ফাঁস করে খোদ আমেরিকাকেই ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়ে দিয়েছেন তিনি। চুনোপুঁটি নাগরিক থেকে শুরু করে ক্ষমতাধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের ফোনালাপে আড় পেতে গোয়েন্দাগিরি করার খবর স্নোডেন ফাঁস করে দেন। এরপর তো জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল তো গোয়েন্দাগিরির দায়ে আমেরিকার দিকে সরাসরি আঙুলই তুলেছেন। এসব কারণে স্নোডেনকে কমিক বইয়ের সুপারহিরো হিসেবে চিত্রায়িত করেছে ‘ব্লু ওয়াটার প্রোডাকশন’।

রাষ্ট্র যখন ব্যক্তির প্রাইভেসি বা গোপনীয়তাকে লঙ্ঘন করে এবং নাগরিকের অধিকারকে ক্ষুণœ করে সার্বক্ষণিক নজরদারি জারি রাখে, সেটিকে সহজভাবে মেনে নেওয়া যায় না বলেই মনে করেন হ্যাক্টিভিস্টরা। মার্কিন বিচারক প্যাট্রিসিয়া ওয়াল্ড-ও রাষ্ট্রের এইসব নজরদারিমূলক কার্যক্রমকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। হ্যাক্টিভিস্টরা মনে করেন, রাষ্ট্র কর্র্তৃক নাগরিকের ওপর এবং এক রাষ্ট্র আরেক রাষ্ট্রের ওপর অন্যায় নজরদারির অবসান হওয়া দরকার। তাই, হ্যাক্টিভিস্টরা রাষ্ট্রীয় ‘গোমর’ ফাঁস করে দিচ্ছেন। তারা মনে করেন, অন্যায়ভাবে নজরদারি চালানোর তথ্য ফাঁস করে দেওয়াটা ‘সঠিক কাজ’। ব্যাপারটি অনেকটা বাংলা ‘চোরের ওপর বাটপারি’ প্রবাদের মতন। তবে মোদ্দা কথা হলো, এই ‘বাটপার’ বা ‘নায়ক’ বা হ্যাক্টিভিস্টরা মনে করে, জনগণের সত্য জানার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সরকার বা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কারসাজি করে সত্য লুকিয়ে রেখে জনগণকে ধোঁকা দেয়। তাই, জনগণের স্বার্থে ‘ধোঁকাবাজ’দের মনে ‘দাগা’ দেওয়াটাকে হ্যাক্টিভিস্টরা অপরাধ মনে করে না বরং ‘নৈতিক’ মনে করে।

ডাকাতির কারণে রবিনহুডের পেছনে লেগে থাকত শেরিফ। আজকের ডিজিটাল রবিনহুডদেরও দশাও সে রকমই। লুফ্ঠহানসা-কাণ্ডের জেরে জেলবন্দি হয়েছিলেন আন্দ্রেয়াস-টমাস ফোগেল। আর টমাস ড্রেক-কে তো অ্যামেরিকা ‘এনিমি অফ দি স্টেট’ বা ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ বলেই ঘোষণা করেছে। জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে তথ্য পাচার করার দায়ে জেল খেটেছেন চেলসি মেনিং। আর জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের দুর্গতির তো সীমা-পরিসীমা নেই। হ্যাকাররা যে আইন ভঙ্গ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন করপোরেশনের ‘গোপনীয় নাজুক তথ্য’ ফাঁস করে দেয়, বিষয়টি স্পষ্টতই আইনের লঙ্ঘন এবং এজন্য তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন অনেকেই। তবে, এই জবাবদিহির প্রসঙ্গে অ্যাসাঞ্জের একটি বক্তব্য রয়েছে। ইউরোপোস্টের যে প্রতিবেদনের কথা এই লেখায় উল্লেখ করেছি, সেই প্রতিবেদনের শেষ দিকে অ্যাসাঞ্জের একটি উক্তি রয়েছে। সেখানে অ্যাসাঞ্জ বলছেন, ‘সরকার যখন মানুষকে হত্যা ও নিপীড়ন করা বন্ধ করবে, করপোরেশনগুলো যখন আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার বন্ধ করবে হয়তো কেবল তখনই বাক-স্বাধীনতার পক্ষের কর্মীদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রশ্ন উঠতে পারে’।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বা এডওয়ার্ড স্নোডেনকে ডিজিটাল জামানার দয়ালু রবিনহুড বা সহৃদয় ডাকাত ভাবা হলেও তাদের কাজটা মূলত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হিসেবেই বিবেচিত হয়। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকেও পৃথিবীর নানান দেশে ‘রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার দোহাই’ দিয়ে আটকে রাখার চেষ্টা হয়। কিন্তু অনুসন্ধানী সাংবাদিকের রক্ষাকবচ ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট’ বা জনস্বার্থ। জনস্বার্থে যে কোনো তথ্য প্রকাশ করার অধিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিক রাখেন বলেই সাংবাদিকতার ইতিহাসে বারবার প্রমাণ হয়েছে।

ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা নীতি বিষয়ে গোপনীয় তথ্য ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ পত্রিকার কাছে পৌঁছায়। নথি থেকে জানা যায়, ভিয়েতনামে জয় পাওয়া সম্ভব নয় জেনেও কর্র্তৃপক্ষ সেনা পাঠাচ্ছে। ‘পরাজয়ের লজ্জা’ এড়াতে গোঁয়ার্তুমি করছে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়। নেতারা জনতাকে মিথ্যে আশ্বাস দিচ্ছে। ঝুঁকিতে ফেলছে হাজারো সৈনিকের জীবন। এই বিষয়ে খবর প্রকাশ করায়, সত্তরের দশকে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর ওপর নেমে আসে আইনি খড়গ। মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন পোস্টের লড়াই আদালত পর্যন্ত গড়ায়। রাষ্ট্রের ছলনা ও শঠতার তথ্য জনগণের জানার অধিকার আছেÑ এই মন্ত্রেই মামলায় জেতে ওয়াশিংটন পোস্ট। আদালতেও জয় পায় জনস্বার্থ।

জনস্বার্থের কথাই বারংবার বলছেন, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বা এডওয়ার্ড স্নোডেনসহ অন্য ‘হুইসেল-ব্লোয়ার’ বা তথ্য-ফাঁসকারীরা। তাই, ‘হ্যাক্টিভিস্ট’দের চট করে কেবলি ‘ডাকাত’ বলা মুশকিল। বরং ডিজিটাল রবিনহুডদের সঙ্গে ‘বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা’ প্রবাদটাই বেশি মানানসই। বাঘ আর বুনো কুকুর চিরশত্রু। কিন্তু ‘পুলিশ’ যখন ‘চোর’-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন অনেক ‘চোর’ই স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নেমে পড়ে ‘পুলিশি’ ভূমিকায়। হ্যাক্টিভিস্টদের বাস্তবতাটাও তেমনি।

নায়ক ও খলনায়ক বা ডাকাত ও বীরের পার্থক্য কী? উভয় পক্ষই সাহসী। উভয়ই মারতে ও মরতে প্রস্তুত। তবু, ফারাক কোথায়? ফারাক হচ্ছে, কর্ম-চিন্তায়। নায়ক পুরাণের চরিত্র প্রমিথিউসের মতন। বৃহত্তর স্বার্থে তার লড়াই ও আত্মত্যাগ। কিন্তু খলনায়কের দুনিয়ায় সবাই মীর জাফর আলী খান; অন্তরে কেবলি নিজের গদির বাসনা। তাই, আইনের ভাষায় রবিনহুড অপরাধী হলেও জনতার মনের দরবারে ডাকাতই হৃদয়ের রাজা।

লেখক

কবি, সহকারী অধ্যাপক, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত