বড়দিনে শুভেচ্ছা বিনিময়

ধর্ম ব্যবহার করে নৈরাজ্য যাতে না হয় : রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:৩৪ এএম

ধর্ম আমাদের আলোর পথ দেখায় এবং অন্যায়, পাপ, অন্ধকার থেকে দূরে রাখে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ যেন নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সবাই সজাগ থাকবেন।’ গতকাল বুধবার বঙ্গভবনে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। যুবকদের যেন কেউ ধর্মের  নামে বিভ্রান্ত করতে না পারে সেজন্য বিশেষ নজর রাখতে রাষ্ট্রপতি অভিভাবকদের আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধির জনপদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের এই অর্জন সকল জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফসল। রাষ্ট্রপতি ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ ও ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। আবদুল হামিদ খ্রিস্টানদের পবিত্র উৎসবে তাদের সুখ, সমৃদ্ধি ও আনন্দময় ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

যিশুখ্রিস্টকে আলো ও মুক্তির দূত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, যিশুখ্রিস্ট বিশ্বে শান্তির পথ দেখিয়ে গেছেন। তার দর্শন ছিল ভালোবাসা, সেবা, ক্ষমা ও ন্যায়বিচারে পরিপূর্ণ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি বর্তমানে এই সমস্যাসংকুল ও সংকটময় বিশ্বে জাতিতে জাতিতে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় যিশুর শিক্ষার একান্ত প্রয়োজন।’ বঙ্গভবনে বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রধান এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এ উপলক্ষে সেখানে একটি ক্রিসমাস গাছ রোপণ ও মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ, কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও, কূটনৈতিক কোরের ডিন আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্র মিশনের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও পেশাজীবীরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।  সূত্র : বাসস 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত